এক সপ্তাহ পার হলেও বর্তমান কর্মস্থলে আছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
আনোয়ারুল ইসলাম,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:- বদলির এক সপ্তাহ পরও কর্মস্থল ছাড়েননি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কামাল আহমেদ। সরকারি বদলির আদেশ না মেনে তিনি আগের কর্মস্থলেই বহাল থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে তিনি গণভোট ও নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া যায়নি- এমন অজুহাত দেখিয়ে কালক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) ডা:এ.বি.এম. আবু হানিফ স্বাক্ষরিত গত ১২ জানুয়ারির আদেশে ডা. কামাল আহমেদকে পার্শ্ববর্তী রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে বদলি করা হয়।
আদেশে বলা হয়,৫ কর্মদিবসের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে ৬ কর্মদিবসে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।তবে আদেশ জারির ৯ দিন পার হলেও বুধবার (২১ জানুয়ারি) পর্যন্ত তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন নি। স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বাড়ি ও কর্মস্থল পীরগঞ্জে হওয়ায় ডা. কামাল আহমেদ নিজ বাড়িতে কেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে তার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা ও পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে, ডাঃ কামাল তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ অস্বীকার করে বলেন, আমার নিজস্ব কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেই, যেটি আছে তা আমার বোনের নামে।
এছাড়াও আমি অন্য কোনো চিকিৎসা সেন্টারে বা ক্লিনিকে জড়িত নেই। ডা. কামাল আরো বলেন, একই সাথে আমি আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত আছি। সেসব দায়িত্ব পালন করতেই আমাকে বর্তমান কর্মস্থলে অবস্থান করতে হচ্ছে। এই সাথে তিনি বলেন, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ হলেই আমি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেব। এখানে আমার ব্যক্তিগত স্বার্থ বা সিদ্ধান্ত নেই।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, আসলে, কোনো কর্মকর্তা যদি নির্বাচন বা গণভোট সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, সেক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তবে, নির্বাচনের পরে তিনি (ডাঃ কামাল আহমেদ) তার নুতন কর্মস্থলে যোগদান করতে বাধ্য থাকবেন।





















