ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতেই ঢাকায় ইউএসবিবিসি : রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গৌরীপুরে মাস্টার মেসের মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রিয়াদে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুন- ১৬ বাংলাদেশির মৃত্য এসএসসির ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ গাজীপুরে যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলা, আহত ২: বিএনপির তীব্র নিন্দা কলমাকান্দায় আদিবাসী দিবস পালন কোটালীপাড়ায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ নারীরা নেতৃত্বের সুযোগ পেলে শক্তিশালী হবে দেশের ভবিষ্যৎ গোপালগঞ্জ জেলা বিটিএসএফের কমিটি ঘোষণা সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুনের বাজিমাত, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীসহ ৫ ক্যাটাগরিতে সেরা

এক সপ্তাহ পার হলেও বর্তমান কর্মস্থলে আছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

সাংবাদিক

 আনোয়ারুল ইসলাম,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:- বদলির এক সপ্তাহ পরও কর্মস্থল ছাড়েননি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কামাল আহমেদ। সরকারি বদলির আদেশ না মেনে তিনি আগের কর্মস্থলেই বহাল থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে তিনি গণভোট ও নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া যায়নি- এমন অজুহাত দেখিয়ে কালক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) ডা:এ.বি.এম. আবু হানিফ স্বাক্ষরিত গত ১২ জানুয়ারির আদেশে ডা. কামাল আহমেদকে পার্শ্ববর্তী রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে বদলি করা হয়।

আদেশে বলা হয়,৫ কর্মদিবসের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে ৬ কর্মদিবসে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।তবে আদেশ জারির ৯ দিন পার হলেও বুধবার  (২১ জানুয়ারি) পর্যন্ত তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন নি। স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বাড়ি ও কর্মস্থল পীরগঞ্জে হওয়ায় ডা. কামাল আহমেদ নিজ বাড়িতে কেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে তার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা ও পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে, ডাঃ কামাল তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ অস্বীকার করে বলেন, আমার নিজস্ব কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেই, যেটি আছে তা আমার বোনের নামে।

এছাড়াও আমি অন্য কোনো চিকিৎসা সেন্টারে বা ক্লিনিকে জড়িত নেই। ডা. কামাল আরো বলেন, একই সাথে আমি আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দায়িত্বে  নিয়োজিত আছি। সেসব দায়িত্ব পালন করতেই আমাকে বর্তমান কর্মস্থলে অবস্থান করতে হচ্ছে।  এই সাথে তিনি বলেন, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ হলেই আমি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেব। এখানে আমার ব্যক্তিগত স্বার্থ বা সিদ্ধান্ত নেই।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, আসলে,  কোনো কর্মকর্তা যদি নির্বাচন বা গণভোট সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, সেক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তবে, নির্বাচনের পরে তিনি (ডাঃ কামাল আহমেদ) তার নুতন কর্মস্থলে যোগদান করতে বাধ্য থাকবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
৭২৫ Time View

এক সপ্তাহ পার হলেও বর্তমান কর্মস্থলে আছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

আপডেটের সময় : ০৩:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

 আনোয়ারুল ইসলাম,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:- বদলির এক সপ্তাহ পরও কর্মস্থল ছাড়েননি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কামাল আহমেদ। সরকারি বদলির আদেশ না মেনে তিনি আগের কর্মস্থলেই বহাল থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে তিনি গণভোট ও নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া যায়নি- এমন অজুহাত দেখিয়ে কালক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) ডা:এ.বি.এম. আবু হানিফ স্বাক্ষরিত গত ১২ জানুয়ারির আদেশে ডা. কামাল আহমেদকে পার্শ্ববর্তী রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে বদলি করা হয়।

আদেশে বলা হয়,৫ কর্মদিবসের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে ৬ কর্মদিবসে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।তবে আদেশ জারির ৯ দিন পার হলেও বুধবার  (২১ জানুয়ারি) পর্যন্ত তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন নি। স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বাড়ি ও কর্মস্থল পীরগঞ্জে হওয়ায় ডা. কামাল আহমেদ নিজ বাড়িতে কেয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে তার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা ও পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে, ডাঃ কামাল তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ অস্বীকার করে বলেন, আমার নিজস্ব কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেই, যেটি আছে তা আমার বোনের নামে।

এছাড়াও আমি অন্য কোনো চিকিৎসা সেন্টারে বা ক্লিনিকে জড়িত নেই। ডা. কামাল আরো বলেন, একই সাথে আমি আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দায়িত্বে  নিয়োজিত আছি। সেসব দায়িত্ব পালন করতেই আমাকে বর্তমান কর্মস্থলে অবস্থান করতে হচ্ছে।  এই সাথে তিনি বলেন, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব শেষ হলেই আমি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেব। এখানে আমার ব্যক্তিগত স্বার্থ বা সিদ্ধান্ত নেই।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, আসলে,  কোনো কর্মকর্তা যদি নির্বাচন বা গণভোট সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন, সেক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তবে, নির্বাচনের পরে তিনি (ডাঃ কামাল আহমেদ) তার নুতন কর্মস্থলে যোগদান করতে বাধ্য থাকবেন।