ভিশন ২০৩০-এর সুযোগে সৌদিতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, দেশে বিনিয়োগের আহ্বান
ফারুক আহমেদ চান, মধ্যপ্রাচ্য ইনচার্জ!
সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্যের চিত্র। এই পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাফল্যের নতুন দৃষ্টান্ত গড়ছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। তাদেরই একজন ইনভেস্টার মো. আইয়ুব। ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করে আজ তিনি একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক। প্রবাসীদের উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
প্রায় ১১ বছর আগে এসি ও রেফ্রিজারেটরের স্পেয়ার পার্টসের ব্যবসা দিয়ে যাত্রা শুরু করেন মো. আইয়ুব। তিনি আইয়ুব ফাস্ট ট্রেডিং কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর। কঠোর পরিশ্রম, সততা ও ব্যবসায়িক দূরদর্শিতার মাধ্যমে গড়ে তোলেন এই কোম্পানি বর্তমানে সৌদি আরবের রিয়াদ,জেদ্দা,দাম্মাম সহ বিভিন্ন শহরে রয়েছে তার একাধিক প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি তিনি সৌদি আরব ইনভেস্টার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ১৫০ জন বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। তিনি মনে করেন, সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
তিনি বলেন “বাংলাদেশের কোনো ভাই যদি উদ্যোক্তা হতে চান, তাহলে যে কোনো সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। আমি চাই, আরও বেশি বাংলাদেশি চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক।”
মো. আইয়ুব বলেন, সৌদি আরবে ব্যবসার জন্য এখন অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে বাংলাদেশিরাও সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবে সফল বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের নিজ দেশেও বিনিয়োগ করা উচিত। এতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
“আমি সৌদি আরবে সফল সব বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই। দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে আমাদের সবার এগিয়ে আসা প্রয়োজন।”
প্রবাসী উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সেই বার্তাই তুলে ধরছেন সফল এই বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইনভেস্টর মো. আইয়ুব।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন মোনির হোসেন, ব্রান্ঝ ম্যানেজর।মোঃ সাব্বির হোসেন সেলসম্যান



















