ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এনসিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা, আহত ২ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ফেলোশিপ পেলেন এআইপি মতিন সৈকত শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক মো.আবু রায়হান ছিদ্দীক (মুকুল) স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু কে কী বলল বিবেচ্য নয়, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারিতেই- মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের অবরোধে ঢাকার পাঁচ জায়গায় তীব্র যানজট নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মালয়েশিয়া অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন প্রবাসীদের সুবিধার্থে QR Code/কনস্যুলার ফি পরিশোধ কাউন্টার সুবিধা চালু করেছে কৃষকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

পবিত্র আশুরায় ঢাকায় তাজিয়া মিছিল শুরু

সাংবাদিক

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক তাজিয়া মিছিল। রবিবার (৬ জুলাই) সকাল ১০টার পর লালবাগের হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এই শোকযাত্রা।

চার শতাব্দীর পুরনো এই ইমামবাড়ায় ভোর থেকেই জড়ো হতে থাকেন ঢাকাসহ আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত হাজারো শিয়া মুসলিম। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই কালো পোশাক পরেছিলেন, যা শোকের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। অনেকের হাতে ছিল কারবালার স্মৃতিবাহী প্রতীক—ছুরি, আলাম, নিশান, বেস্তা ও বইলালাম।

মিছিলের পরিবেশ ছিল আবেগঘন ও ভারাক্রান্ত। ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ শোকধ্বনিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এই শোকযাত্রাটি আজিমপুর, নীলক্ষেত, নিউ মার্কেট ও সায়েন্সল্যাব হয়ে ধানমন্ডিতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

 

মিছিলে অংশ নেওয়া একজন অংশগ্রহণকারী মহব্বত জানান, “এই দিনটি আমাদের জন্য গভীর শোকের। ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের শহীদ হওয়ার ঘটনাকে আমরা চিরদিন স্মরণে রাখি। প্রতিবছর এই মিছিলে অংশ নিয়ে তাদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।”

তাজিয়া মিছিল নির্বিঘ্ন করতে হোসেনি দালান ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, সোয়াট ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য।

উল্লেখ্য, হিজরি ৬১ সালের ১০ মুহাররম কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (আ.) ও তার পরিবারের নির্মমভাবে শহীদ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর শিয়া সম্প্রদায় আশুরার দিন এই তাজিয়া মিছিলের আয়োজন করে থাকেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
৭৯৩ Time View

পবিত্র আশুরায় ঢাকায় তাজিয়া মিছিল শুরু

আপডেটের সময় : ০৪:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক তাজিয়া মিছিল। রবিবার (৬ জুলাই) সকাল ১০টার পর লালবাগের হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এই শোকযাত্রা।

চার শতাব্দীর পুরনো এই ইমামবাড়ায় ভোর থেকেই জড়ো হতে থাকেন ঢাকাসহ আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত হাজারো শিয়া মুসলিম। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই কালো পোশাক পরেছিলেন, যা শোকের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। অনেকের হাতে ছিল কারবালার স্মৃতিবাহী প্রতীক—ছুরি, আলাম, নিশান, বেস্তা ও বইলালাম।

মিছিলের পরিবেশ ছিল আবেগঘন ও ভারাক্রান্ত। ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ শোকধ্বনিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এই শোকযাত্রাটি আজিমপুর, নীলক্ষেত, নিউ মার্কেট ও সায়েন্সল্যাব হয়ে ধানমন্ডিতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

 

মিছিলে অংশ নেওয়া একজন অংশগ্রহণকারী মহব্বত জানান, “এই দিনটি আমাদের জন্য গভীর শোকের। ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের শহীদ হওয়ার ঘটনাকে আমরা চিরদিন স্মরণে রাখি। প্রতিবছর এই মিছিলে অংশ নিয়ে তাদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।”

তাজিয়া মিছিল নির্বিঘ্ন করতে হোসেনি দালান ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, সোয়াট ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য।

উল্লেখ্য, হিজরি ৬১ সালের ১০ মুহাররম কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসেন (আ.) ও তার পরিবারের নির্মমভাবে শহীদ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর শিয়া সম্প্রদায় আশুরার দিন এই তাজিয়া মিছিলের আয়োজন করে থাকেন।