ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভার বৈঠক /২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু মঙ্গলবার মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপনে বিধিমালা সংশোধন মঙ্গলবার শপথ নেবেন দুই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনে বিশৃঙ্খলাকারীরা সাধারণ শ্রমিক নয়: ডিআইজি আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম, রাত ৮টা থেকেই কার্যকর সজীব ওয়াজেদ জয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ আদালতের মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত অন্তত ৫০ দেশকে ‘গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ বানাতে জাপানের বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বন্দরে ব্যবসায়ীর ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাত

বন্দর প্রতিনিধি

বন্দরে গরদা (পুরাতন/ ভাঙ্গা লোহা) দেওয়ার কথা বলে প্রতারনার মাধ্যমে লৌহ ব্যবসায়ী কাছ থেকে প্রায় পৌনে ৪৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত শনিবার (১৬ আগস্ট) রাতে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী জজ মিয়া বাদী হয়ে প্রতারক আলামিন ও তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম ওরফে টুম্পা ও আছমা বেগমকে আসামী করে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন । অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার জলিল মন্ডল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এর আগে গত ৩ মার্চ বিকেলে বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মাহামুদনগর এলাকা থেকে ওই টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি ঘটে।
মামলার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার ১০৫ কে এন সেন রোড এলাকার মৃত নাজির মিয়ার ছেলে জজ মিয়া তার নিজ এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে সুনামের সাথে লৌহজাত ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। একই এলাকায় বসবাস করার সুবাদে উল্লেখিত এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আলামিনের সাথে পরিচয় হয়। ওই পরিচয়ের সূত্র ধরে তারা উভয় মিলে লৌহজাত ব্যবসা করে। এর ধারাবাহিকতা গত ৭ মার্চ ২০২৪ইং তারিখে নন জুডিশিয়াল স্টাম্পের মাধ্যমে উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে ব্যবসায়ী জজ মিয়ার কাছ থেকে ৪৪ লাখ টাকা ১ বছরের মধ্যে ফেরৎ দিবে শর্তে উল্লেখিত টাকা ধার নেয় প্রতারক আলামিন। ব্যবসায়ী জজ মিয়ার কাছ থেকে উল্লেখিত টাকা ধার নেওয়ার সময় প্রতারক আলামিন জামানত হিসেবে মেঘনা ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর চেক প্রদান করে। যার নং- এস ভি এ ২৯৫০২৯৯ এবং একাউন্ট নং- ১১২১১২৮০০০০০০৫১। উল্লেখিত টাকা ধার নেওয়ার সময় প্রতারক আলামিন ও তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম ওরফে টুম্পা জামিনদার হিসেবে উল্লেখিত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ব্যবসায়ী জজ মিয়া দেনাদার আলামিনের নিকট পাওনা টাকা চাইলে প্রতারক আলামিন টাকা না দিয়ে
নানা ভাবে তালবাহানা করে সময় ক্ষেপন করে।একপর্যায়ে পাওনাদার ব্যবসায়ী জজ মিয়া দেনাদার আলামিনের দেওয়া চেক নিয়া ব্যাংকে যেয়ে দেখে ব্যাংকে কোন টাকা নেই। তার পর থেকে দেনাদার প্রতারক আলামিন উল্লেখিত টাকা আত্মসাত করে আত্মগোপনে চলে যায়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
৭৭৩ Time View

বন্দরে ব্যবসায়ীর ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাত

আপডেটের সময় : ১২:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

বন্দরে গরদা (পুরাতন/ ভাঙ্গা লোহা) দেওয়ার কথা বলে প্রতারনার মাধ্যমে লৌহ ব্যবসায়ী কাছ থেকে প্রায় পৌনে ৪৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত শনিবার (১৬ আগস্ট) রাতে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী জজ মিয়া বাদী হয়ে প্রতারক আলামিন ও তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম ওরফে টুম্পা ও আছমা বেগমকে আসামী করে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন । অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার জলিল মন্ডল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এর আগে গত ৩ মার্চ বিকেলে বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মাহামুদনগর এলাকা থেকে ওই টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি ঘটে।
মামলার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার ১০৫ কে এন সেন রোড এলাকার মৃত নাজির মিয়ার ছেলে জজ মিয়া তার নিজ এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে সুনামের সাথে লৌহজাত ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। একই এলাকায় বসবাস করার সুবাদে উল্লেখিত এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আলামিনের সাথে পরিচয় হয়। ওই পরিচয়ের সূত্র ধরে তারা উভয় মিলে লৌহজাত ব্যবসা করে। এর ধারাবাহিকতা গত ৭ মার্চ ২০২৪ইং তারিখে নন জুডিশিয়াল স্টাম্পের মাধ্যমে উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে ব্যবসায়ী জজ মিয়ার কাছ থেকে ৪৪ লাখ টাকা ১ বছরের মধ্যে ফেরৎ দিবে শর্তে উল্লেখিত টাকা ধার নেয় প্রতারক আলামিন। ব্যবসায়ী জজ মিয়ার কাছ থেকে উল্লেখিত টাকা ধার নেওয়ার সময় প্রতারক আলামিন জামানত হিসেবে মেঘনা ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর চেক প্রদান করে। যার নং- এস ভি এ ২৯৫০২৯৯ এবং একাউন্ট নং- ১১২১১২৮০০০০০০৫১। উল্লেখিত টাকা ধার নেওয়ার সময় প্রতারক আলামিন ও তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম ওরফে টুম্পা জামিনদার হিসেবে উল্লেখিত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ব্যবসায়ী জজ মিয়া দেনাদার আলামিনের নিকট পাওনা টাকা চাইলে প্রতারক আলামিন টাকা না দিয়ে
নানা ভাবে তালবাহানা করে সময় ক্ষেপন করে।একপর্যায়ে পাওনাদার ব্যবসায়ী জজ মিয়া দেনাদার আলামিনের দেওয়া চেক নিয়া ব্যাংকে যেয়ে দেখে ব্যাংকে কোন টাকা নেই। তার পর থেকে দেনাদার প্রতারক আলামিন উল্লেখিত টাকা আত্মসাত করে আত্মগোপনে চলে যায়।