ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ভয়াল ২৫ মার্চ আজ সৌদি আরব প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত স্টার আওয়ার্ড পেলেন কাতার প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: জসিম উদ্দীন সিআইপি ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে জুলাইয়ের জন-আকাঙ্ক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশ ঈদ ছুটি শেষে সচিবালয়ে কর্মব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী জনসাধারণের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করলেন হুইপ অপু  বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং “বিএনসিসি ডে” উদযাপন মঙ্গলবার খুলছে অফিস-আদালত ও ব্যাংক

বান্দরবানে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা

সাংবাদিক

মুহাম্মদ আলী, স্টাফ রিপোর্টার।।

বান্দরবান জেলায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবারও জেলায় সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে ৪২ জন। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৪৮ জন পাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে বান্দরবান জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এতথ্য জানান।
জেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, এ বছর এসএসসি, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগ মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪ হাজার ৯২৩ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৯৬৮ জন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬০.২৮ শতাংশ, যা গত বছরের ৭২.৭৫ শতাংশ থেকে প্রায় ১২ শতাংশ কম।
তবে আশার কথা হচ্ছে, এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৯ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি (২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১০০ জন)।
স্কুলভিত্তিক এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪ হাজার ১ শত ৬৯ জন শিক্ষার্থীর। উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৪শত ৬৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৪ জন। এবার স্কুলের পাসের হার ৫৯ দশমিক ২২ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় চেয়ে ২.৫ শতাংশ কমেছে।
মাদ্রাসা ভিত্তিক এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। যার পাশের হার ৭০ দশমিক ৮ শতাংশ। যা গত বছরে তুলনায় পাশের হার কমেছে ১০ শতাংশ।
কারিগরি শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩১৫ জন, উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯০জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। যা পাশের হার ছিল ৬০ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছরে তুলানায় পাশের হার কমেছে ১৭শতাংশ।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন“গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার অনেক কম। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। অভিভাবকরা সন্তানের পড়ালেখার প্রতি নজরদারি করছেন না, মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে সরে যাচ্ছে। এছাড়া, দুর্গম এলাকায় শিক্ষকের সংকটও অন্যতম কারণ।”
তিনি আরও বলেন,“শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং শিক্ষকদেরও পাঠদানে আরও মনোযোগী হতে হবে। তবেই পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় উন্নতি আসবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
৭০০ Time View

বান্দরবানে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা

আপডেটের সময় : ০৭:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

মুহাম্মদ আলী, স্টাফ রিপোর্টার।।

বান্দরবান জেলায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এবারও জেলায় সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে ৪২ জন। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৪৮ জন পাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে বান্দরবান জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এতথ্য জানান।
জেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, এ বছর এসএসসি, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগ মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৪ হাজার ৯২৩ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৯৬৮ জন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬০.২৮ শতাংশ, যা গত বছরের ৭২.৭৫ শতাংশ থেকে প্রায় ১২ শতাংশ কম।
তবে আশার কথা হচ্ছে, এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৯ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি (২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১০০ জন)।
স্কুলভিত্তিক এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪ হাজার ১ শত ৬৯ জন শিক্ষার্থীর। উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৪শত ৬৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৪ জন। এবার স্কুলের পাসের হার ৫৯ দশমিক ২২ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় চেয়ে ২.৫ শতাংশ কমেছে।
মাদ্রাসা ভিত্তিক এসএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪৩৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে ৩০৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। যার পাশের হার ৭০ দশমিক ৮ শতাংশ। যা গত বছরে তুলনায় পাশের হার কমেছে ১০ শতাংশ।
কারিগরি শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩১৫ জন, উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯০জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। যা পাশের হার ছিল ৬০ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছরে তুলানায় পাশের হার কমেছে ১৭শতাংশ।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন“গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার অনেক কম। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। অভিভাবকরা সন্তানের পড়ালেখার প্রতি নজরদারি করছেন না, মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে সরে যাচ্ছে। এছাড়া, দুর্গম এলাকায় শিক্ষকের সংকটও অন্যতম কারণ।”
তিনি আরও বলেন,“শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং শিক্ষকদেরও পাঠদানে আরও মনোযোগী হতে হবে। তবেই পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় উন্নতি আসবে।