ঢাকা , বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের টহল দলের তৎপরতায় হেমায়েতপুর কাঁচা বাজারে জুয়া ও চাঁদাবাজিতে জড়িত ৩ জন আটক নেত্রকোনার পূর্বধলায় অপারেশন ডেভিল হান্ট-২ অভিযানে মো. রইছ উদ্দিন (৫১) নামের আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার রিয়াদে ইনভেস্টার আসলাম আহমেদ মোরশেদের Camera World-এর ৫ম শাখা “মাম বিজনেস লিমিটেড সিকিউরিটি” উদ্বোধন চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র‌্যাব কর্মকর্তা। নিহত মুন্সীগঞ্জে বসতঘরে মা ও মেয়েকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক কলমাকান্দায় ইউএনওকে শাসানোর ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত ৬০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার—খোকসায় বসছে না কালীপূজার ঐতিহ্যবাহী গ্মেলা প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতার্ত অস্বচ্ছ জনগোষ্ঠীর মাঝে সহায়তা প্রদান বকশীগঞ্জে সার গুদাম ও হিমাগারের দাবি এডভোকেট সোহেল রানার হাজীগঞ্জে থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

শিবপুরে নদী ভাঙ্গন রোধ করতে কোরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করেন এলাকাবাসী

সাংবাদিক

 

মো আরিফুল ইসলাম, ভোলা প্রতিনিধি।।

ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের মেঘনা তীরবর্তী নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পরছে এলাকাবাসী।

নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেতে কোরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগন।

১৬ই জুলাই রোজ বুধবার আসর বাদ এই দোয়ার আয়োজন করা হয়।
ভোলার বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে আলেম ও ছাত্ররা এই দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এলাকাবাসীর আল্লাহর কাছে একটাই চাওয়া আর যেন তাদের ফসলী জমি এবং ভিটা বাড়ি না হরাতে হয়।

বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এই ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করে যা ভোলার খাল সংলগ্ন এলাকা সহ প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার সহ ভাঙ্গন দেখা দেয়।

আর মাত্র কয়েক মিটার দূরে আছে শহর রক্ষা বেরীবাধ।
যদি এই বেরীবাধ ভেঙ্গে যায় তাহলে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে ভোলা শহর সহ ভোলার অনেক সরকারি অনেক স্থাপনা।

শিবপুরের নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে ভোলা সদরের যুগিরগোলের দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার এই জায়গা জুরে আছে কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২০ টির উপরে প্রাইমারি স্কুল।
ভোলার একমাত্র বিদ্যাপাঠ ভোলা সরকারি কলেজ এবং ভোলার ২০ লক্ষ মানুষের চিকিৎসার শেষ ঠিকানা ভোলা সরকারি হাসপাতাল সহ সরকারি বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

এই সমস্ত স্থাপনা রক্ষা করতে হলে অতি দ্রুত মেঘনার এই ভাঙ্গন থেকে শিবপুর কে রক্ষা করতে হবে।

মেঘনার এই ভাঙ্গনে শিবপুর মেদুয়ার হাজার হাজার মানুযের ফসলী জমি এবং ভিটা বাড়ি হারিয়ে প্রায় নিশ্ব হয়ে দিশেহারা হয়ে গেছে এই নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগের মাধ্যমে বালি দিলেও এই ব্যাগ পানির স্রোতে তলিয়ে যায় কিন্তু ভাঙ্গন রোধ হয় না।

একালার মানুষের এখন শুধু একটাই দাবী নিরাপদ টেকশই বাদ নির্মান সহ সিসি ব্লকের মাধ্যমে এই ভাঙ্গন রোধ করা হোক।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
৭০৪ Time View

শিবপুরে নদী ভাঙ্গন রোধ করতে কোরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করেন এলাকাবাসী

আপডেটের সময় : ০৩:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

মো আরিফুল ইসলাম, ভোলা প্রতিনিধি।।

ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ও মেদুয়া ইউনিয়নের মেঘনা তীরবর্তী নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পরছে এলাকাবাসী।

নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেতে কোরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগন।

১৬ই জুলাই রোজ বুধবার আসর বাদ এই দোয়ার আয়োজন করা হয়।
ভোলার বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে আলেম ও ছাত্ররা এই দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এলাকাবাসীর আল্লাহর কাছে একটাই চাওয়া আর যেন তাদের ফসলী জমি এবং ভিটা বাড়ি না হরাতে হয়।

বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এই ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করে যা ভোলার খাল সংলগ্ন এলাকা সহ প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার সহ ভাঙ্গন দেখা দেয়।

আর মাত্র কয়েক মিটার দূরে আছে শহর রক্ষা বেরীবাধ।
যদি এই বেরীবাধ ভেঙ্গে যায় তাহলে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিতে পারে ভোলা শহর সহ ভোলার অনেক সরকারি অনেক স্থাপনা।

শিবপুরের নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে ভোলা সদরের যুগিরগোলের দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার এই জায়গা জুরে আছে কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২০ টির উপরে প্রাইমারি স্কুল।
ভোলার একমাত্র বিদ্যাপাঠ ভোলা সরকারি কলেজ এবং ভোলার ২০ লক্ষ মানুষের চিকিৎসার শেষ ঠিকানা ভোলা সরকারি হাসপাতাল সহ সরকারি বেসরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

এই সমস্ত স্থাপনা রক্ষা করতে হলে অতি দ্রুত মেঘনার এই ভাঙ্গন থেকে শিবপুর কে রক্ষা করতে হবে।

মেঘনার এই ভাঙ্গনে শিবপুর মেদুয়ার হাজার হাজার মানুযের ফসলী জমি এবং ভিটা বাড়ি হারিয়ে প্রায় নিশ্ব হয়ে দিশেহারা হয়ে গেছে এই নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগের মাধ্যমে বালি দিলেও এই ব্যাগ পানির স্রোতে তলিয়ে যায় কিন্তু ভাঙ্গন রোধ হয় না।

একালার মানুষের এখন শুধু একটাই দাবী নিরাপদ টেকশই বাদ নির্মান সহ সিসি ব্লকের মাধ্যমে এই ভাঙ্গন রোধ করা হোক।