ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রিয়াদ বাহীনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকায় বাসী চাঁদপুরস্থ কচুয়া উপজেলা আইনজীবী কল্যাণ সমিতির-২০২৬ কার্যকরী কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অফ চাঁদপুরের ডিনার মিটিং অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুরে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ সম্পন্ন প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আরব দেশগুলোর অনুরোধে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা শোকের ছায়া হাজীগঞ্জে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খানের ইন্তেকালে বাকিলাজুড়ে শোকের মাতম জাতীয় সংসদে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহার জানাজা, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী মানবতা, ন্যায়বিচার ও বৈশ্বিক সেবার প্রত্যয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভ’ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের শুভ উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ

সাংবাদিক
আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার দুই দশক পূর্ণ হওয়ায় দিনটিকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজধানীর বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হন তিনি, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে।

গ্রেপ্তারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ১/১১–এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করে। তাদের মতে, এসব মামলার বেশিরভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন। দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। তাই কারাবন্দী দিবসটি বিএনপির কাছে শুধু একটি স্মৃতির দিন নয়, বরং রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
৬২২ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ

আপডেটের সময় : ০৬:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার দুই দশক পূর্ণ হওয়ায় দিনটিকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজধানীর বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হন তিনি, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে।

গ্রেপ্তারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ১/১১–এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করে। তাদের মতে, এসব মামলার বেশিরভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন। দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। তাই কারাবন্দী দিবসটি বিএনপির কাছে শুধু একটি স্মৃতির দিন নয়, বরং রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।