ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ ফরিদগঞ্জ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রিয়াদ বাহীনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকায় বাসী চাঁদপুরস্থ কচুয়া উপজেলা আইনজীবী কল্যাণ সমিতির-২০২৬ কার্যকরী কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অফ চাঁদপুরের ডিনার মিটিং অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুরে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ সম্পন্ন প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আরব দেশগুলোর অনুরোধে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা শোকের ছায়া হাজীগঞ্জে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খানের ইন্তেকালে বাকিলাজুড়ে শোকের মাতম জাতীয় সংসদে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহার জানাজা, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ

সাংবাদিক

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ডিএমপি কমিশনারকে আইনমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন বলে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে।

এদিকে বুধবার (২০ মে) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওইদিন সকালে শিশুটি বাসা থেকে বের হলে তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় অভিযুক্তের স্ত্রী। পরে সেখানে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয় এবং হত্যার পর মরদেহ টুকরো করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা। এ সময় বাথরুমে একটি বালতির ভেতরে শিশুটির খণ্ডিত মাথা পাওয়া যায়।

ঘটনার পর অভিযুক্তের স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
৫০০ Time View

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ

আপডেটের সময় : ০৯:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ডিএমপি কমিশনারকে আইনমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন বলে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে।

এদিকে বুধবার (২০ মে) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওইদিন সকালে শিশুটি বাসা থেকে বের হলে তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় অভিযুক্তের স্ত্রী। পরে সেখানে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয় এবং হত্যার পর মরদেহ টুকরো করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা। এ সময় বাথরুমে একটি বালতির ভেতরে শিশুটির খণ্ডিত মাথা পাওয়া যায়।

ঘটনার পর অভিযুক্তের স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।