ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

২২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ

সাংবাদিক
এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ। চোট থেকে সুস্থ হয়ে ফেরা মিডফিল্ডার শেখ মোরসালিনই হলেন জয়ের নায়ক। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১ মিনিটে করা তার গোলে এলো ঐতিহাসিক জয়।

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের সমীকরণে এখন আর নেই বাংলাদেশ। তবু এই জয় বিশেষ, কারণ ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর আর কোনো স্বীকৃত ম্যাচে যে ভারতকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরুর দিকে আক্রমণে যেতে কিছুটা বেগ পেতে হয় বাংলাদেশকে। অন্যদিকে ভারত একাধিকবার ডি-বক্সে ঢুকলেও গোলের দেখা পায়নি।

তবে ছন্দে ফিরতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ দল। ১১ মিনিটে তরুণ মোরসালিনের গোলে স্বস্তির লিড পায় হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। বাম প্রান্ত থেকে রাকিবের আড়াআড়ি ক্রসে পা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশ সমর্থকদের আনন্দে ভাসান এই মিডফিল্ডার।

২০ মিনিটে গোলকিপার মিতুল মারমার ভুলে সেই লিড প্রায় হারাতে বসেছিল বাংলাদেশ। তবে দলকে সে যাত্রায় রক্ষা করেছেন হামজা চৌধুরী। ভারতীয় ফুটবলারের ক্রস হেড করে ক্লিয়ার করেন দেশের ফুটবলের এই মহাতারকা।

ম্যাচের ৩৪ মিনিটে মাঠে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের ধাক্কাধাক্কিতে রিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই দলের খেলোয়াড়রাই প্রায় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত রেফারি তপু ও বিক্রম—দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখিয়ে উত্তাপ কমান।

প্রথমার্ধের বাকি সময় একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা দারুণ করেছিল ভারত, দুইবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। তবে আক্রমণের ধার মজবুত রেখেই খেলা চালিয়ে যেতে থাকে সফরকারীরা।

৭৮ মিনিটে পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে শট নেন তপু বর্মণ, তবে শটের গতি দুর্বল হওয়ায় তা ফিরিয়ে দেন ভারতের গোলকিপার।

৮৩ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর ভারতের এক ডিফেন্ডারের হাতের পেছনের দিকে লেগেছিল বল। বাংলাদেশের ফুটবলাররা পেনাল্টির রব তুললেও তাতে কান দেননি রেফারি।

দলকে সমর্থন দিতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:২০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
৯৩৪ Time View

২২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ

আপডেটের সময় : ০৪:২০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ। চোট থেকে সুস্থ হয়ে ফেরা মিডফিল্ডার শেখ মোরসালিনই হলেন জয়ের নায়ক। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১ মিনিটে করা তার গোলে এলো ঐতিহাসিক জয়।

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের সমীকরণে এখন আর নেই বাংলাদেশ। তবু এই জয় বিশেষ, কারণ ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর আর কোনো স্বীকৃত ম্যাচে যে ভারতকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরুর দিকে আক্রমণে যেতে কিছুটা বেগ পেতে হয় বাংলাদেশকে। অন্যদিকে ভারত একাধিকবার ডি-বক্সে ঢুকলেও গোলের দেখা পায়নি।

তবে ছন্দে ফিরতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ দল। ১১ মিনিটে তরুণ মোরসালিনের গোলে স্বস্তির লিড পায় হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। বাম প্রান্ত থেকে রাকিবের আড়াআড়ি ক্রসে পা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশ সমর্থকদের আনন্দে ভাসান এই মিডফিল্ডার।

২০ মিনিটে গোলকিপার মিতুল মারমার ভুলে সেই লিড প্রায় হারাতে বসেছিল বাংলাদেশ। তবে দলকে সে যাত্রায় রক্ষা করেছেন হামজা চৌধুরী। ভারতীয় ফুটবলারের ক্রস হেড করে ক্লিয়ার করেন দেশের ফুটবলের এই মহাতারকা।

ম্যাচের ৩৪ মিনিটে মাঠে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের ধাক্কাধাক্কিতে রিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই দলের খেলোয়াড়রাই প্রায় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত রেফারি তপু ও বিক্রম—দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখিয়ে উত্তাপ কমান।

প্রথমার্ধের বাকি সময় একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা দারুণ করেছিল ভারত, দুইবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। তবে আক্রমণের ধার মজবুত রেখেই খেলা চালিয়ে যেতে থাকে সফরকারীরা।

৭৮ মিনিটে পেনাল্টি বক্সের বাইরে থেকে শট নেন তপু বর্মণ, তবে শটের গতি দুর্বল হওয়ায় তা ফিরিয়ে দেন ভারতের গোলকিপার।

৮৩ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর ভারতের এক ডিফেন্ডারের হাতের পেছনের দিকে লেগেছিল বল। বাংলাদেশের ফুটবলাররা পেনাল্টির রব তুললেও তাতে কান দেননি রেফারি।

দলকে সমর্থন দিতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।