তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
সোমবার (১ জুন) বিকাল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তোফায়েলের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে স্যোশাল মিডিয়ায়।
চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দুদকের একটি মামলায় গত ৭ মে তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।
ওই সময় তোফায়েলের আইনজীবী আদালতকে জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। বাস্তবিক অর্থে তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি লোপ পেয়েছে।
ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি করেছিলেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন-ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
















