ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের জমি দখলের অভিযোগ!

সাংবাদিক

বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জাহিদুল ইসলাম অংকুরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জামালপুর সদর উপজেলার সিংহজানী মৌজার। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জমিটির পরিমাণ—৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। বিআরএস ৪৬৯৭ দাগের এই জমির মালিক হিসেবে কাগজপত্রে নাম রয়েছে মোরশেদুল ইসলাম মুন্নার। নামজারি, হেবা বিল এওয়াজ দলিল এবং নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের নথিও রয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর।

কিন্তু অভিযোগ—এসব বৈধ নথি থাকার পরও জমিটি দখলে নিয়ে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে একতলা পাকা ভবন। এখানেই শেষ নয়—ঘটনার পর সামনে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জমির মালিক ন্যায়বিচারের আশায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করেন। যার নম্বর—২৬৬২(১)/২০২৫। ভুক্তভোগীর দাবি, পরবর্তীতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা বাজারমূল্যের এই জমির বিপরীতে মাত্র ১১ লাখ টাকার আপোষ প্রস্তাব সামনে আসে। প্রশ্ন উঠছে— ৪০ লাখ টাকার জমির মূল্য কীভাবে ১১ লাখ টাকায় নির্ধারিত হলো? আর বৈধ মালিকের সম্মতি ছাড়া দখল করা জমি কি কেবল টাকার বিনিময়ে বৈধ হয়ে যায়? জমির মালিক মোরশেদুল ইসলাম মুন্নার স্পষ্ট বক্তব্য— তিনি কোনো চাপের আপোষ চান না।

তিনি চান তার নিজের জমি ফিরে পেতে। এদিকে জাহিদুল ইসলাম অংকুরকে ঘিরে ক্যাসিনো ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে বলে জানা গেছে । তবে ভূমি দখলের অভিযোগের সত্যতা এলাকার লোকদের বক্তব্যের ভিত্তিতে যাচাই করে পাওয়া গেছে এখন মূল প্রশ্ন— বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও একজন জমির মালিক কেন তার সম্পত্তির দখল হারাবেন? ৪০ লাখ টাকার জমির বিপরীতে ১১ লাখ টাকার আপোষ প্রস্তাবের পেছনেই বা কী রহস্য? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১০:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
৫১৮ Time View

জামালপুরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের জমি দখলের অভিযোগ!

আপডেটের সময় : ১০:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জাহিদুল ইসলাম অংকুরের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জামালপুর সদর উপজেলার সিংহজানী মৌজার। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জমিটির পরিমাণ—৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। বিআরএস ৪৬৯৭ দাগের এই জমির মালিক হিসেবে কাগজপত্রে নাম রয়েছে মোরশেদুল ইসলাম মুন্নার। নামজারি, হেবা বিল এওয়াজ দলিল এবং নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের নথিও রয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর।

কিন্তু অভিযোগ—এসব বৈধ নথি থাকার পরও জমিটি দখলে নিয়ে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে একতলা পাকা ভবন। এখানেই শেষ নয়—ঘটনার পর সামনে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জমির মালিক ন্যায়বিচারের আশায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করেন। যার নম্বর—২৬৬২(১)/২০২৫। ভুক্তভোগীর দাবি, পরবর্তীতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা বাজারমূল্যের এই জমির বিপরীতে মাত্র ১১ লাখ টাকার আপোষ প্রস্তাব সামনে আসে। প্রশ্ন উঠছে— ৪০ লাখ টাকার জমির মূল্য কীভাবে ১১ লাখ টাকায় নির্ধারিত হলো? আর বৈধ মালিকের সম্মতি ছাড়া দখল করা জমি কি কেবল টাকার বিনিময়ে বৈধ হয়ে যায়? জমির মালিক মোরশেদুল ইসলাম মুন্নার স্পষ্ট বক্তব্য— তিনি কোনো চাপের আপোষ চান না।

তিনি চান তার নিজের জমি ফিরে পেতে। এদিকে জাহিদুল ইসলাম অংকুরকে ঘিরে ক্যাসিনো ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে বলে জানা গেছে । তবে ভূমি দখলের অভিযোগের সত্যতা এলাকার লোকদের বক্তব্যের ভিত্তিতে যাচাই করে পাওয়া গেছে এখন মূল প্রশ্ন— বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও একজন জমির মালিক কেন তার সম্পত্তির দখল হারাবেন? ৪০ লাখ টাকার জমির বিপরীতে ১১ লাখ টাকার আপোষ প্রস্তাবের পেছনেই বা কী রহস্য? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।