ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের স্কুলে ছাদ ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩৩

সাংবাদিক

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের স্কুলে ছাদ ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় এক শিক্ষক ও ৩২ শিক্ষার্থীর প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ ১৪ বছরের কম বয়সী।

বৃহস্পতিবার কেপির পেশোয়ারের বেসরকারি আল খায়ের স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তারা জানান, আরও ২০ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। মর্মান্তিক এই ঘটনার জন্য ভবনটির দুর্বল অবকাঠামোকে দায়ী করা হচ্ছে। আটক করা হয়েছে স্কুল মালিককে।

সোহেল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা এএফপিকে বলেন, তাঁর ভাতিজি ধসে পড়া ভবন থেকে কোনোমতে বেঁচে ফিরে বাড়িতে গিয়ে দুর্ঘটনার খবর দেয়। এরপরই সবাই আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ১০ থেকে ১৫টি শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। পরে তাদের টেনে বের করা হয়।

পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র আসিম খান জানান, নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ৪ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। আহত ২০ শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। বেশিরভাগকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেসকিউ ১১২২’-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফাইজি বলেন, তাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, একটি ছাদ ধসে অন্য একটি ছাদের ওপর পড়েছে। এতে নিচের শ্রেণিকক্ষটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:৩১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
৫০৪ Time View

পাকিস্তানের স্কুলে ছাদ ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩৩

আপডেটের সময় : ১১:৩১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের স্কুলে ছাদ ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় এক শিক্ষক ও ৩২ শিক্ষার্থীর প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ ১৪ বছরের কম বয়সী।

বৃহস্পতিবার কেপির পেশোয়ারের বেসরকারি আল খায়ের স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তারা জানান, আরও ২০ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। মর্মান্তিক এই ঘটনার জন্য ভবনটির দুর্বল অবকাঠামোকে দায়ী করা হচ্ছে। আটক করা হয়েছে স্কুল মালিককে।

সোহেল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা এএফপিকে বলেন, তাঁর ভাতিজি ধসে পড়া ভবন থেকে কোনোমতে বেঁচে ফিরে বাড়িতে গিয়ে দুর্ঘটনার খবর দেয়। এরপরই সবাই আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ১০ থেকে ১৫টি শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। পরে তাদের টেনে বের করা হয়।

পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালের মুখপাত্র আসিম খান জানান, নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ৪ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। আহত ২০ শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। বেশিরভাগকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেসকিউ ১১২২’-এর মুখপাত্র বিলাল আহমেদ ফাইজি বলেন, তাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, একটি ছাদ ধসে অন্য একটি ছাদের ওপর পড়েছে। এতে নিচের শ্রেণিকক্ষটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়।