ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

মানবতার ফেরিওয়ালা দিলদার হোসেন কাপ্তাইয়ের গর্ব

মো জয়নাল আবেদীন, কাপ্তাই উপজেলা

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা আজও গর্ব করে এক জননেতাকে নিয়ে, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন মানুষের কল্যাণে। তিনি হলেন দিলদার হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক, কাপ্তাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান।

দিলদার হোসেন শুধু একজন জনপ্রতিনিধি নন, তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের ভরসার স্থান। গ্রাম-গঞ্জে বিচার-বিবাদ থেকে শুরু করে সামাজিক উন্নয়নের যে কোনো কাজে মানুষের ডাকেই সাড়া দিতেন। দিন-রাত যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে তিনি হাজির হতেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

সামাজিক ও মানবিক কাজে তাঁর অবদান কাপ্তাইবাসীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয়। অসহায় মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা বিয়ে-শাদি – সবখানেই তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। তাঁর মানবিকতা ও নিষ্ঠা তাঁকে জনগণের কাছে এক “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

দিলদার হোসেন বিশ্বাস করতেন – সমাজের প্রকৃত উন্নতি হবে যখন মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়াবে। আর তাই তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন ২৪ ঘন্টা মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য।

কাপ্তাইবাসী আজও মনে রেখেছে তাঁর কর্ম, তাঁর হাসি, এবং তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম। তাঁর মতো নেতারাই প্রমাণ করেন – রাজনীতি মানেই ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং মানবসেবা।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৭২৫ Time View

মানবতার ফেরিওয়ালা দিলদার হোসেন কাপ্তাইয়ের গর্ব

আপডেটের সময় : ০৪:৫৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা আজও গর্ব করে এক জননেতাকে নিয়ে, যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন মানুষের কল্যাণে। তিনি হলেন দিলদার হোসেন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক, কাপ্তাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান।

দিলদার হোসেন শুধু একজন জনপ্রতিনিধি নন, তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের ভরসার স্থান। গ্রাম-গঞ্জে বিচার-বিবাদ থেকে শুরু করে সামাজিক উন্নয়নের যে কোনো কাজে মানুষের ডাকেই সাড়া দিতেন। দিন-রাত যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে তিনি হাজির হতেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

সামাজিক ও মানবিক কাজে তাঁর অবদান কাপ্তাইবাসীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয়। অসহায় মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা বিয়ে-শাদি – সবখানেই তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। তাঁর মানবিকতা ও নিষ্ঠা তাঁকে জনগণের কাছে এক “মানবতার ফেরিওয়ালা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

দিলদার হোসেন বিশ্বাস করতেন – সমাজের প্রকৃত উন্নতি হবে যখন মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়াবে। আর তাই তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন ২৪ ঘন্টা মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য।

কাপ্তাইবাসী আজও মনে রেখেছে তাঁর কর্ম, তাঁর হাসি, এবং তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম। তাঁর মতো নেতারাই প্রমাণ করেন – রাজনীতি মানেই ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং মানবসেবা।