ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘লার্ন অ্যান্ড গ্রো’-এর রোবটিক্স কর্মশালা অনুষ্ঠিত সফলভাবে সম্পন্ন হলো “Study & Career Opportunities in Japan” শীর্ষক সেমিনার সময় টিভি দখলে ‘মাস্টারপ্ল্যান’: নেপথ্যে সিআরআই সিন্ডিকেট, গুলশান কার্যালয় উত্তাল! বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি মামুনুর রশীদ, সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয় আর কোনো স্বৈরাচার যেন পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে বিআইএমএএসসি ও প্যান সলিউশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন ৪১৩ রানে প্রথম ইনিংস থামল বাংলাদেশের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি

তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকছে

সাংবাদিক
ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। এর মাধ্যমে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ পাবেন যোগ্য নাগরিকরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) উপদেষ্টা পরিষদে খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমদ।

তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকা সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদ চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এতে করে বিদ্যমান যে ব্যবস্থা, তাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যেসব ব্যক্তি ভোটার হওয়ার উপযোগী— যারা শুধুমাত্র ওই বছরের (ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার আগের) ডিসেম্বরের মধ্যে বয়স ১৮ বছর হয়, পরের বছরের জানুয়ারিতে এসে যেই হালনাগাদ হয়, সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

প্রতি বছর ২ জানুয়ারি এ খসড়া তালিকা নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করে এবং ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। তাহলে দেখা যায়, পরবর্তী সময়ে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেটি অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে যেসব নাগরিক ১৮ বছর বয়সে পৌঁছান, তারা ওই ভোটে ভোট দিতে পারেন না। তারা এ তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান। তাদেরকে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য আবার অপেক্ষা করতে হয়।

এই বাস্তবতায় নির্বাচন কমিশন মনে করে— নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত রাখতে হয়, সেক্ষেত্রে তফসিল ঘোষণার আগে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে যারা ভোটার হবার উপযোগী হন, তাদেরকে ভোটার তালিকায় নিয়ে আসা।

উদাহরণ দিয়ে ফয়েজ আহমদ বলেন, ধরুন একটি নির্বাচন হবে। তার দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হয়। ফেব্রুয়ারিতে যদি নির্বাচন হয়— সর্বোচ্চ নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। তার মানে নভেম্বর পর্যন্ত যেসব নাগরিক ভোটার হওয়ার উপযোগী হন, তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পান না। বরং তার আগের বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা  ১৮ বছর হয়েছেন, শুধুমাত্র তারা সুযোগ পান। আজকে যে অধ্যাদেশ অনুমোদন হয়েছে, এর ফলে ডিসেম্বরে যদি ভোট হয়— যখন নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা হবে, তার অন্তত এক মাস আগ পর্যন্ত যেসব ব্যক্তি ১৮ বছর হবেন, ভোটার হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন, তারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি ও নাইম আলী উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:৫৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
৮০৫ Time View

তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ থাকছে

আপডেটের সময় : ১১:৫৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। এর মাধ্যমে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ পাবেন যোগ্য নাগরিকরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) উপদেষ্টা পরিষদে খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমদ।

তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকা সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদ চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এতে করে বিদ্যমান যে ব্যবস্থা, তাতে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যেসব ব্যক্তি ভোটার হওয়ার উপযোগী— যারা শুধুমাত্র ওই বছরের (ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার আগের) ডিসেম্বরের মধ্যে বয়স ১৮ বছর হয়, পরের বছরের জানুয়ারিতে এসে যেই হালনাগাদ হয়, সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

প্রতি বছর ২ জানুয়ারি এ খসড়া তালিকা নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করে এবং ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। তাহলে দেখা যায়, পরবর্তী সময়ে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেটি অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে যেসব নাগরিক ১৮ বছর বয়সে পৌঁছান, তারা ওই ভোটে ভোট দিতে পারেন না। তারা এ তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান। তাদেরকে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য আবার অপেক্ষা করতে হয়।

এই বাস্তবতায় নির্বাচন কমিশন মনে করে— নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত রাখতে হয়, সেক্ষেত্রে তফসিল ঘোষণার আগে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে যারা ভোটার হবার উপযোগী হন, তাদেরকে ভোটার তালিকায় নিয়ে আসা।

উদাহরণ দিয়ে ফয়েজ আহমদ বলেন, ধরুন একটি নির্বাচন হবে। তার দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হয়। ফেব্রুয়ারিতে যদি নির্বাচন হয়— সর্বোচ্চ নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। তার মানে নভেম্বর পর্যন্ত যেসব নাগরিক ভোটার হওয়ার উপযোগী হন, তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পান না। বরং তার আগের বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা  ১৮ বছর হয়েছেন, শুধুমাত্র তারা সুযোগ পান। আজকে যে অধ্যাদেশ অনুমোদন হয়েছে, এর ফলে ডিসেম্বরে যদি ভোট হয়— যখন নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা হবে, তার অন্তত এক মাস আগ পর্যন্ত যেসব ব্যক্তি ১৮ বছর হবেন, ভোটার হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন, তারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি ও নাইম আলী উপস্থিত ছিলেন।