ঢাকা , রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সৌদি প্রবাসীদের মাতালো এনটিভ দর্শক ও সাংস্কৃতিক ফোরাম স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী আর নেই বর্তমান পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় চিকিৎসাধীন যুবকের ওপর হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক আমিন বাজার সাদুল্যাপুর ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন ও সংহতি জাতিসংঘ মহাসচিবের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ভয়াল ২৫ মার্চ আজ

দীপু মনির নির্দেশই সব কাজ হয়েছে, আমি দায়ী নই— আদালতকে কলিমুল্লাহ

সাংবাদিক
দুর্নীতির মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এই নির্দেশ দেন।

কলিমুল্লাহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে কারা কারা জড়িত, কাদের নির্দেশে তিনি দুর্নীতি করেছেন, তা উদ্ঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ সময় কলিমুল্লাহর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এ সময় আদালত বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। আপনি কেন এসব কাজে জড়িত হলেন?’ জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, ‘সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নির্দেশ অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজ হয়েছে। তাঁর নির্দেশেই সব কাজ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি দায়ী নই।’

পরে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে দুদকের বিশেষ পিপি তরিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।

৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পুলিশ ড. কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। দুদক তাঁকে আদালতে হাজির করলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ জুন বেরোবির একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কলিমুল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন করেছেন।

সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
৮৩৩ Time View

দীপু মনির নির্দেশই সব কাজ হয়েছে, আমি দায়ী নই— আদালতকে কলিমুল্লাহ

আপডেটের সময় : ০৫:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
দুর্নীতির মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এই নির্দেশ দেন।

কলিমুল্লাহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে কারা কারা জড়িত, কাদের নির্দেশে তিনি দুর্নীতি করেছেন, তা উদ্ঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ সময় কলিমুল্লাহর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এ সময় আদালত বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। আপনি কেন এসব কাজে জড়িত হলেন?’ জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, ‘সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নির্দেশ অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজ হয়েছে। তাঁর নির্দেশেই সব কাজ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি দায়ী নই।’

পরে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে দুদকের বিশেষ পিপি তরিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।

৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পুলিশ ড. কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। দুদক তাঁকে আদালতে হাজির করলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ জুন বেরোবির একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কলিমুল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন করেছেন।

সূত্রঃ আজকের পত্রিকা