মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে সাঁকো নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী
মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
নিজস্ব প্রতিবেদক
আশুলিয়া,সাভার | ১১ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরের ১নং শিমুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কলতাসুতি বড়ই বাড়ি থেকে চক্রবর্তী পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। প্রতিদিন হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই পথ ব্যবহার করলেও দীর্ঘদিন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে ১নং শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মালেক নিজ উদ্যোগে একটি নতুন বাঁশের সাঁকো নির্মাণ এবং রাস্তার চলাচল উপযোগী করতে সংস্কারকাজে সহযোগিতা করেন।
শনিবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে নির্মিত নতুন সাঁকো দিয়ে মানুষ নিরাপদে চলাচল করছেন। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পেয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বলেন,
“এটি কোনো প্রচারণা নয়, বরং মানুষের পাশে থাকার একটি ছোট্ট প্রয়াস। মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই। আমাদের শিমুলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই আমার অঙ্গীকার।”
এলাকাবাসীর অভিমত
গার্মেন্টস কর্মী রহিমা বেগম বলেন,
“প্রতিদিন এই পথ দিয়েই কর্মস্থলে যেতে হয়। আগে পড়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে চলতে হতো। এখন অনেক নিরাপদে চলাচল করতে পারছি। এই উদ্যোগ আমাদের জন্য অনেক উপকারে এসেছে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মিজান বলেন,
“নির্বাচনের সময় শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, মানুষের প্রয়োজনে বাস্তব কাজই সবচেয়ে বড় বিষয়। মালেক সাহেব দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ কমানোর চেষ্টা করেছেন। এমন জনবান্ধব উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।”
গৃহিণী শাহিনা আক্তার বলেন,
“আমাদের এলাকার মানুষ উন্নয়ন ও নিরাপদ চলাচল চায়। মানুষের প্রয়োজনে যিনি এগিয়ে আসেন, স্বাভাবিকভাবেই মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা রাখে।”
আরেক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন,
“মানুষ এখন কথার চেয়ে কাজকে বেশি মূল্যায়ন করে। এলাকার উন্নয়নে যিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন, জনগণ তাঁর কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করবে।”
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই সড়কে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে তারা মনে করেন, সাময়িক সমাধানের পাশাপাশি দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু ও টেকসই সড়ক নির্মাণ করা হলে এলাকার হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ স্থায়ীভাবে দূর হবে।
এলাকাবাসী আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকুক—এটাই তাদের প্রত্যাশা। মানুষের প্রয়োজন ও এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক নেতৃত্বই তাদের মূল চাওয়া বলে মন্তব্য করেন তারা।





















