ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাণীশংকৈলে ছাদ থেকে পড়ে  শ্রমিকের মৃত্যু।  গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়ায় ‘কোনো অনুশোচনা নেই’: মাচাদো যুদ্ধে ইরান জয়ী হয়েছে: গালিবাফ নিজের অস্ত্রের গুলিতে রেলপুলিশ সদস্যের মৃত্যু চুক্তি না করলে ইরানে আবার হামলা শুরু: ট্রাম্প বিয়ের ফাঁদে সিরিয়াল প্রতারণা! একাধিক পুরুষকে টার্গেট করার অভিযোগ বিয়ের ফাঁদে সিরিয়াল প্রতারণা! একাধিক পুরুষকে টার্গেট করার অভিযোগ কোচিং বাণিজ্যে জিম্মি খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, ক্লাসে উপস্থিতিতে ধস

হামের টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাংবাদিক

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার হামসহ ছয়টি রোগের টিকা সংগ্রহে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, “টিকা কবে নাগাদ আসবে ইট ইজ নট ইন মাই হ্যান্ড। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের টিকা আসবে। টিকা আসার সাথে সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

“আমাদের জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের সকল চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং এই মিজেলসের আক্রমণের ভেতরে আমরা যে র‌্যাপিডলি ভেন্টিলেটর এবং আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি, অতীতে কোনোদিন হয়নি। উই উইল কন্টিনিউ আওয়ার এফোর্ট। ইনশআল্লাহ আমরা করে যাব।”

এদিন দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হয়। ১০ জানুয়ারি ক্যাম্প এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। ওই সময় রাজধানীর বস্তি এলাকায় হামের রোগী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

গত শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। তাদের বড় অংশই হামের রোগী।

ভাইরাসজনিত এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ কয়েক জেলায় শিশুদের মৃত্যর খবরও এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে দাবি করেন, গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি। তবে মন্ত্রীর দেওয়া এ তথ্য যে পুরোপুরি সঠিক নয়, সে তথ্য সোশাল মিডিয়ায় সামনে এনেছেন অনেক অভিভাবক। কেউ কেউ তাদের সন্তানের টিকা কার্ডের ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে হামের টিকা দেওয়ার তথ্য রয়েছে।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও ৪ লাখের মত শিশু ঠিকমতো সব টিকা পায়নি এবং ৭০ হাজার (১ দশমিক ৫ শতাংশ) শিশু একেবারেই টিকা পায়নি।

শহর অঞ্চলগুলোতে টিকা না পাওয়ার হার বেশি, মাত্র ৭৯ শতাংশ পুরোপুরি টিকা পেয়েছে। ২ দশমিক ৪ শতাংশ এক ডোজ টিকাও পায়নি এবং ৯ দশমিক ৮ শতাংশ টিকার সব ডোজ ঠিকমতন পায়নি; সেই তুলনায় গ্রামাঞ্চলগুলোতে ৮৫ শতাংশ শিশু টিকার সব ডোজ পেয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:২৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
৫৫৫ Time View

হামের টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০২:২৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার হামসহ ছয়টি রোগের টিকা সংগ্রহে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, “টিকা কবে নাগাদ আসবে ইট ইজ নট ইন মাই হ্যান্ড। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের টিকা আসবে। টিকা আসার সাথে সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

“আমাদের জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের সকল চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং এই মিজেলসের আক্রমণের ভেতরে আমরা যে র‌্যাপিডলি ভেন্টিলেটর এবং আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি, অতীতে কোনোদিন হয়নি। উই উইল কন্টিনিউ আওয়ার এফোর্ট। ইনশআল্লাহ আমরা করে যাব।”

এদিন দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হয়। ১০ জানুয়ারি ক্যাম্প এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। ওই সময় রাজধানীর বস্তি এলাকায় হামের রোগী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

গত শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। তাদের বড় অংশই হামের রোগী।

ভাইরাসজনিত এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ কয়েক জেলায় শিশুদের মৃত্যর খবরও এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে দাবি করেন, গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি। তবে মন্ত্রীর দেওয়া এ তথ্য যে পুরোপুরি সঠিক নয়, সে তথ্য সোশাল মিডিয়ায় সামনে এনেছেন অনেক অভিভাবক। কেউ কেউ তাদের সন্তানের টিকা কার্ডের ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে হামের টিকা দেওয়ার তথ্য রয়েছে।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও ৪ লাখের মত শিশু ঠিকমতো সব টিকা পায়নি এবং ৭০ হাজার (১ দশমিক ৫ শতাংশ) শিশু একেবারেই টিকা পায়নি।

শহর অঞ্চলগুলোতে টিকা না পাওয়ার হার বেশি, মাত্র ৭৯ শতাংশ পুরোপুরি টিকা পেয়েছে। ২ দশমিক ৪ শতাংশ এক ডোজ টিকাও পায়নি এবং ৯ দশমিক ৮ শতাংশ টিকার সব ডোজ ঠিকমতন পায়নি; সেই তুলনায় গ্রামাঞ্চলগুলোতে ৮৫ শতাংশ শিশু টিকার সব ডোজ পেয়েছে।