ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস চীনের দুর্নীতিতে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

২২ বছরে দুর্নীতি দমন কমিশন

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান ফয়সাল
দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হিসেবে আত্মপ্রকাশের দুই দশক পেরিয়ে গেছে। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে দুদকের যাত্রা শুরু হয়েছিল। দেখতে দেখতে দেশটির একমাত্র দুর্নীতি প্রতিরোধকারী সংস্থা এখন ২২তম বছরে পা রেখেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘তারণ্যের একতাই দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।’

২০০৪ সালে বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের নেতৃত্বে প্রথম কমিশন গঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পালন করেন সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরী, গোলাম রহমান, মো. বদিউজ্জামান, ইকবাল মাহমুদ ও মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। বর্তমান কমিশন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন নতুন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

তবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন আজ কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। প্রস্তুতিসভার কথা শোনা গেলেও এবারের দিনটি নীরবেই কাটছে। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে এ উপলক্ষে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হতে পারে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। দুদকের প্রতি মানুষের আস্থা ও সমর্থন আমাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। বর্তমান দুদক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী—দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আমরা জোরালো ভূমিকা পালন করছি।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুদকের কার্যক্রম হঠাৎ করেই দ্রুতগতিতে বাড়ে। সাবেক সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, আমলা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩০০ মামলা দায়ের হয়েছে।

দুদকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে যাচাই-বাছাই শেষে ৫৩০টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়। একই সময়ে ১ হাজার ২৯৪টি মামলা ও ৬২৫টি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি ক্রমশ ১১২ ও ১২৭টি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর এককভাবে সবচেয়ে বেশি মামলা ৩১২টি দায়ের হয় আগস্ট মাসে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:১০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
৬৯৬ Time View

২২ বছরে দুর্নীতি দমন কমিশন

আপডেটের সময় : ০২:১০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
দুর্নীতি দমন ব্যুরো থেকে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হিসেবে আত্মপ্রকাশের দুই দশক পেরিয়ে গেছে। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে দুদকের যাত্রা শুরু হয়েছিল। দেখতে দেখতে দেশটির একমাত্র দুর্নীতি প্রতিরোধকারী সংস্থা এখন ২২তম বছরে পা রেখেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘তারণ্যের একতাই দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।’

২০০৪ সালে বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের নেতৃত্বে প্রথম কমিশন গঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পালন করেন সাবেক সেনাপ্রধান হাসান মশহুদ চৌধুরী, গোলাম রহমান, মো. বদিউজ্জামান, ইকবাল মাহমুদ ও মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। বর্তমান কমিশন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন নতুন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

তবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন আজ কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। প্রস্তুতিসভার কথা শোনা গেলেও এবারের দিনটি নীরবেই কাটছে। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে এ উপলক্ষে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হতে পারে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। দুদকের প্রতি মানুষের আস্থা ও সমর্থন আমাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। বর্তমান দুদক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী—দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আমরা জোরালো ভূমিকা পালন করছি।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুদকের কার্যক্রম হঠাৎ করেই দ্রুতগতিতে বাড়ে। সাবেক সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, আমলা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩০০ মামলা দায়ের হয়েছে।

দুদকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে যাচাই-বাছাই শেষে ৫৩০টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়। একই সময়ে ১ হাজার ২৯৪টি মামলা ও ৬২৫টি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি ক্রমশ ১১২ ও ১২৭টি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর এককভাবে সবচেয়ে বেশি মামলা ৩১২টি দায়ের হয় আগস্ট মাসে।