ঢাকা , রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রিয়াদে প্রবাসী চাঁদপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদার রোগ মুক্তি কামনায়দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শারিরীকভাবে অসুস্থ আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামানায় প্রবাসী নোয়াখালী জেলা বিএনপি সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল এর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইউএনও প্রদিপ্ত রায় দীপনের আকস্মিক পরিদর্শন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর চিঠি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্বেগ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়, জানালেন তারেক রহমান ব্যাটিং বিপর্যয়ে হার, বিফলে হৃদয়ের ঝড়ো ফিফটি হাসিনার প্লট দুর্নীতি: বেআইনি-একাধিক প্লট ভোগকারীকে শনাক্তের নির্দেশ মগবাজারে বহুতল ভবনে আগুন রাণীশংকৈলে বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস পালনের প্রস্তুতিসভা।

৪ বাতি-ফ্যান ও এক ফ্রিজ চালিয়ে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা!

সাংবাদিক

প্রতি মাসে পাঁচ-ছয়শ টাকার বিদ্যুৎ বিল দিয়ে আসছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খলারটেক গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান (৫৫)। কিন্তু চলতি জুলাই মাসে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। এ অঙ্ক দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি, এমনকি জ্ঞান হারিয়েও ফেলেন।

গত রোববার দুপুরে জুলাই মাসের বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎকর্মীরা বাড়িতে গেলে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা।

আব্দুল মান্নানের ঘরে আছে মাত্র তিন-চারটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ছোট ফ্রিজ। স্ত্রী মর্জিনা আক্তারের নামে থাকা আবাসিক মিটারে সাধারণত মাসে ৫০০ টাকার মতো বিল আসে। কোনোভাবেই এমন বিপুল পরিমাণ ইউনিট ব্যবহার হওয়া সম্ভব নয়।

ভুক্তভোগী ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তিনি প্রবাসে থাকে। স্ত্রীর নামে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার রয়েছে। জুলাই মাসে প্রায় ১১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসছে আমাদের বাড়িতে। এটা কেমন কথা। আমরা গরীব মানুষ এটা মারাত্মক হয়রানি। এই পরিমাণ বিল শুনার পরপরই মাথাটা ঘুরে গেছে। আমার বাড়িতে সব মিলে তিন চারটা বাত্তি (বাল্ব) জ্বলে আর দুইটা ফ্যান ঘুরে। একটি ছোট ফ্রিজও আছে। কখনোই চার পাঁচশ টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল আসেনি আমাদের বাড়িতে। এবার এ বিল দেখে জ্ঞানহারা হয়ে গিয়েছি।’

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (শ্রীপুর জোনাল অফিস) এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আলম বলেন, ‘ডিজিট ভুল যুক্ত হওয়ায় সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় অঙ্কের বিল তৈরি হয়েছে। আমাদের নজরে আসার পরপরই প্রকৃত বিল সংশোধন করে নতুন কপি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যে কর্মকর্তা এ ভুল করেছেন তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
৭৭২ Time View

৪ বাতি-ফ্যান ও এক ফ্রিজ চালিয়ে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা!

আপডেটের সময় : ০৫:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

প্রতি মাসে পাঁচ-ছয়শ টাকার বিদ্যুৎ বিল দিয়ে আসছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খলারটেক গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান (৫৫)। কিন্তু চলতি জুলাই মাসে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। এ অঙ্ক দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি, এমনকি জ্ঞান হারিয়েও ফেলেন।

গত রোববার দুপুরে জুলাই মাসের বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎকর্মীরা বাড়িতে গেলে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা।

আব্দুল মান্নানের ঘরে আছে মাত্র তিন-চারটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ছোট ফ্রিজ। স্ত্রী মর্জিনা আক্তারের নামে থাকা আবাসিক মিটারে সাধারণত মাসে ৫০০ টাকার মতো বিল আসে। কোনোভাবেই এমন বিপুল পরিমাণ ইউনিট ব্যবহার হওয়া সম্ভব নয়।

ভুক্তভোগী ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তিনি প্রবাসে থাকে। স্ত্রীর নামে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার রয়েছে। জুলাই মাসে প্রায় ১১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসছে আমাদের বাড়িতে। এটা কেমন কথা। আমরা গরীব মানুষ এটা মারাত্মক হয়রানি। এই পরিমাণ বিল শুনার পরপরই মাথাটা ঘুরে গেছে। আমার বাড়িতে সব মিলে তিন চারটা বাত্তি (বাল্ব) জ্বলে আর দুইটা ফ্যান ঘুরে। একটি ছোট ফ্রিজও আছে। কখনোই চার পাঁচশ টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল আসেনি আমাদের বাড়িতে। এবার এ বিল দেখে জ্ঞানহারা হয়ে গিয়েছি।’

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (শ্রীপুর জোনাল অফিস) এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আলম বলেন, ‘ডিজিট ভুল যুক্ত হওয়ায় সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় অঙ্কের বিল তৈরি হয়েছে। আমাদের নজরে আসার পরপরই প্রকৃত বিল সংশোধন করে নতুন কপি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যে কর্মকর্তা এ ভুল করেছেন তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’