ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেন তারেক রহমানের শপথ আজ, দক্ষিণ প্লাজায় ব্যতিক্রমী আয়োজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ: রাজধানীর যেসব সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে ঠাকুরগাঁও-৩ এ  ১ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী বিএনপি’র জাহিদুর রহমান। ১০ম স্থানে থাকা মুসলিম লীগের খলিলুর পেয়েছেন ১১৩ ভোট। ঠাকুরগাঁও-৩ এ জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দীনসহ ৮ প্রার্থী জামানত হারালেন। ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিঃ এর চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত গণমাধ্যমে খণ্ডিত ফল উপস্থাপনা নিয়ে হতাশ হবেন না: জামায়াত আমির চাঁদপুর জেলা যুবদলের শৃঙ্খলার বার্তা বিশৃঙ্খলা নয়, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার আহ্বান নুরুল আমিন খান আকাশের সমাজসেবক হাজী মো. রফিক আহমদ এর ইন্তেকাল

৪ বাতি-ফ্যান ও এক ফ্রিজ চালিয়ে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা!

সাংবাদিক

প্রতি মাসে পাঁচ-ছয়শ টাকার বিদ্যুৎ বিল দিয়ে আসছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খলারটেক গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান (৫৫)। কিন্তু চলতি জুলাই মাসে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। এ অঙ্ক দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি, এমনকি জ্ঞান হারিয়েও ফেলেন।

গত রোববার দুপুরে জুলাই মাসের বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎকর্মীরা বাড়িতে গেলে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা।

আব্দুল মান্নানের ঘরে আছে মাত্র তিন-চারটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ছোট ফ্রিজ। স্ত্রী মর্জিনা আক্তারের নামে থাকা আবাসিক মিটারে সাধারণত মাসে ৫০০ টাকার মতো বিল আসে। কোনোভাবেই এমন বিপুল পরিমাণ ইউনিট ব্যবহার হওয়া সম্ভব নয়।

ভুক্তভোগী ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তিনি প্রবাসে থাকে। স্ত্রীর নামে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার রয়েছে। জুলাই মাসে প্রায় ১১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসছে আমাদের বাড়িতে। এটা কেমন কথা। আমরা গরীব মানুষ এটা মারাত্মক হয়রানি। এই পরিমাণ বিল শুনার পরপরই মাথাটা ঘুরে গেছে। আমার বাড়িতে সব মিলে তিন চারটা বাত্তি (বাল্ব) জ্বলে আর দুইটা ফ্যান ঘুরে। একটি ছোট ফ্রিজও আছে। কখনোই চার পাঁচশ টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল আসেনি আমাদের বাড়িতে। এবার এ বিল দেখে জ্ঞানহারা হয়ে গিয়েছি।’

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (শ্রীপুর জোনাল অফিস) এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আলম বলেন, ‘ডিজিট ভুল যুক্ত হওয়ায় সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় অঙ্কের বিল তৈরি হয়েছে। আমাদের নজরে আসার পরপরই প্রকৃত বিল সংশোধন করে নতুন কপি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যে কর্মকর্তা এ ভুল করেছেন তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
৯৩৫ Time View

৪ বাতি-ফ্যান ও এক ফ্রিজ চালিয়ে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা!

আপডেটের সময় : ০৫:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

প্রতি মাসে পাঁচ-ছয়শ টাকার বিদ্যুৎ বিল দিয়ে আসছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খলারটেক গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান (৫৫)। কিন্তু চলতি জুলাই মাসে তার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। এ অঙ্ক দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি, এমনকি জ্ঞান হারিয়েও ফেলেন।

গত রোববার দুপুরে জুলাই মাসের বিল নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎকর্মীরা বাড়িতে গেলে দেখা যায়, বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা।

আব্দুল মান্নানের ঘরে আছে মাত্র তিন-চারটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ছোট ফ্রিজ। স্ত্রী মর্জিনা আক্তারের নামে থাকা আবাসিক মিটারে সাধারণত মাসে ৫০০ টাকার মতো বিল আসে। কোনোভাবেই এমন বিপুল পরিমাণ ইউনিট ব্যবহার হওয়া সম্ভব নয়।

ভুক্তভোগী ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম তিনি প্রবাসে থাকে। স্ত্রীর নামে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার রয়েছে। জুলাই মাসে প্রায় ১১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসছে আমাদের বাড়িতে। এটা কেমন কথা। আমরা গরীব মানুষ এটা মারাত্মক হয়রানি। এই পরিমাণ বিল শুনার পরপরই মাথাটা ঘুরে গেছে। আমার বাড়িতে সব মিলে তিন চারটা বাত্তি (বাল্ব) জ্বলে আর দুইটা ফ্যান ঘুরে। একটি ছোট ফ্রিজও আছে। কখনোই চার পাঁচশ টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল আসেনি আমাদের বাড়িতে। এবার এ বিল দেখে জ্ঞানহারা হয়ে গিয়েছি।’

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (শ্রীপুর জোনাল অফিস) এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আলম বলেন, ‘ডিজিট ভুল যুক্ত হওয়ায় সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বড় অঙ্কের বিল তৈরি হয়েছে। আমাদের নজরে আসার পরপরই প্রকৃত বিল সংশোধন করে নতুন কপি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যে কর্মকর্তা এ ভুল করেছেন তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’