অনলাইনে ৪৭ কোটি টাকার বিক্রি, ভ্যাট ফাঁকি ৩.১৯ কোটি
অনলাইনভিত্তিক প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার বিক্রয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পেয়েছে ঢাকা পশ্চিম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট।
ভ্যাট কমিশনারেট অভিযান চালিয়ে ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কুরিয়ার সার্ভিস, নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবস্থা ও বিভিন্ন দলিলপত্রের তথ্য পর্যালোচনা করে ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এনবিআর থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কোরিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা পশ্চিম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট গত ২১ সেপ্টেম্বর কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশে নিবারক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পল্লবী বিভাগীয় দপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানটিতে মূসক-১২.১ প্রদর্শন করে অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমের তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কুরিয়ার সার্ভিস এবং নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওয়া বিভিন্ন দলিলপত্রও পরীক্ষা করা হয়। এসব তথ্য পর্যালোচনায় ভ্যাট ফাঁকির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে এনবিআর।
ভ্যাট ফাঁকির বিষয়টি অধিকতর যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানের ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য দলিলপত্রে থাকা প্রয়োজনীয় তথ্য পেনড্রাইভের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে এসব তথ্য ও দলিলপত্র জব্দ করা হয়। জব্দ করা নথি ও ডিজিটাল তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় সংক্রান্ত হিসাবের মধ্যে অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের জব্দ করা দলিলপত্র ও তথ্য যাচাই করে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার নিয়মবহির্ভূত বিক্রয় তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ফাঁকি দেওয়া ভ্যাটের পরিমাণ ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা।
এ ঘটনায় কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।






















ভাইরাল সেই বিউটি রাণী জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক