ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এসএসসির প্রথম দিনেই ভুল প্রশ্নপত্র, সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন্দ্র সচিবের অসৌজন্যমূলক আচরণ খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়- এ কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে শোকজ সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীর বদলীর অর্ডারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এখনো ঢাকাতে ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন পৌরসভা প্রতিষ্ঠার দেড়শ বছরে সিটি করপোরেশন পেল বগুড়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রাণীশংকৈলে ছাদ থেকে পড়ে  শ্রমিকের মৃত্যু।  গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ড. ইউনূস

সাংবাদিক

নিউইয়র্কে থিয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে মর্যাদাপূর্ণ ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কের এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অগ্রণী ভূমিকা এবং শিক্ষার প্রতি দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত ও যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এবং থিয়ারওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান সারা ব্রাউন। এসময় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা জানানো হয়। তবে ইউনূসের দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক উদ্যোগ এবং শিক্ষাকে মিশনের অংশ করার প্রচেষ্টা অতিথিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।

গর্ডন ব্রাউন বলেন, ‘গত ৫০ বছরে কোনো বেসরকারি খাতের প্রকল্প মানুষের দারিদ্র্য দূরীকরণে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো অবদান রাখতে পারেনি।’

পুরস্কার গ্রহণকালে ড. ইউনূস বলেন, ‘খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো ঋণও একটি মৌলিক মানবাধিকার। আর্থিক ব্যবস্থার দরজা খুলে দিলে কেউ দরিদ্র থাকবে না। ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে শিক্ষাকে যুক্ত করেছি, যাতে নারীরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারে।’

তিনি প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের উদ্যোক্তা হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যবসাকে মানবকল্যাণের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের পাঠ দিতে হবে।

ড. ইউনূস আরও যোগ করেন, ‘মানবজাতির সব সমস্যার সমাধান ব্যবসায়িক উপায়ে করা সম্ভব।’

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৭৩১ Time View

‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ড. ইউনূস

আপডেটের সময় : ০৫:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্কে থিয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে মর্যাদাপূর্ণ ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কের এক হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অগ্রণী ভূমিকা এবং শিক্ষার প্রতি দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত ও যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন এবং থিয়ারওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান সারা ব্রাউন। এসময় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা জানানো হয়। তবে ইউনূসের দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক উদ্যোগ এবং শিক্ষাকে মিশনের অংশ করার প্রচেষ্টা অতিথিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।

গর্ডন ব্রাউন বলেন, ‘গত ৫০ বছরে কোনো বেসরকারি খাতের প্রকল্প মানুষের দারিদ্র্য দূরীকরণে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো অবদান রাখতে পারেনি।’

পুরস্কার গ্রহণকালে ড. ইউনূস বলেন, ‘খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো ঋণও একটি মৌলিক মানবাধিকার। আর্থিক ব্যবস্থার দরজা খুলে দিলে কেউ দরিদ্র থাকবে না। ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে শিক্ষাকে যুক্ত করেছি, যাতে নারীরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারে।’

তিনি প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের উদ্যোক্তা হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যবসাকে মানবকল্যাণের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের পাঠ দিতে হবে।

ড. ইউনূস আরও যোগ করেন, ‘মানবজাতির সব সমস্যার সমাধান ব্যবসায়িক উপায়ে করা সম্ভব।’