ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেডআরএফ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন ফরিদগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয়েছে : হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন বাকলিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে গুরুতর আহত সাংবাদিক, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

উইগ্রো’র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন

সাংবাদিক

প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করা এগ্রি–ফিনটেক স্টার্টআপ উইগ্রো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। হংকং সরকার আয়োজিত স্টার্টমআপ.এইচকে গ্লোবাল স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা ২০২৫-এ ফাইনালিস্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বের শতাধিক দেশের উদ্ভাবনী উদ্যোগের মধ্য থেকে উত্তীর্ণ হয়ে উইগ্রো’র এই অর্জনকে বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও কৃষি-উদ্ভাবন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্টার্টমআপ.এইচকে প্রতিযোগিতায় স্টার্টআপগুলোকে চারটি সূচকে মূল্যায়ন করা হয়—উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, ব্যবসায়িক সম্ভাবনা এবং সামাজিক প্রভাব। এ চারটি ক্ষেত্রেই উইগ্রোর পারফরম্যান্স বিচারকদের নজর কেড়েছে। স্থানীয় কৃষি বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এমন প্রযুক্তিভিত্তিক মডেল আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে আরও দৃশ্যমান করছে।

এর আগে সিঙ্গাপুর ফিনটেক ফেস্টিভাল ২০২৪-এও উইগ্রো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ১৩০টিরও বেশি দেশের স্টার্টআপকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয় প্রতিষ্ঠানটি।

উইগ্রো ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বিনিয়োগ, মানসম্মত কৃষি উপকরণ, উৎপাদন সহায়তা ও বাজারসংযোগ—এই চারটি ধাপকে প্রযুক্তির মাধ্যমে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসে। এর লক্ষ্য হলো- কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো, লাভজনকতা বৃদ্ধি করা এবং বাজারে প্রবেশাধিকার সহজ করা, যাতে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়।

উইগ্রোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের খাত নয়; এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূলভিত্তি। আমরা চাই, কৃষকের উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলো প্রমাণ করে—বাংলাদেশের কৃষি-প্রযুক্তি এখন বৈশ্বিক স্তরেও প্রতিযোগিতায় সক্ষম।”

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
৭১১ Time View

উইগ্রো’র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন

আপডেটের সময় : ০৯:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করা এগ্রি–ফিনটেক স্টার্টআপ উইগ্রো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। হংকং সরকার আয়োজিত স্টার্টমআপ.এইচকে গ্লোবাল স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা ২০২৫-এ ফাইনালিস্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বের শতাধিক দেশের উদ্ভাবনী উদ্যোগের মধ্য থেকে উত্তীর্ণ হয়ে উইগ্রো’র এই অর্জনকে বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও কৃষি-উদ্ভাবন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্টার্টমআপ.এইচকে প্রতিযোগিতায় স্টার্টআপগুলোকে চারটি সূচকে মূল্যায়ন করা হয়—উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, ব্যবসায়িক সম্ভাবনা এবং সামাজিক প্রভাব। এ চারটি ক্ষেত্রেই উইগ্রোর পারফরম্যান্স বিচারকদের নজর কেড়েছে। স্থানীয় কৃষি বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এমন প্রযুক্তিভিত্তিক মডেল আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে আরও দৃশ্যমান করছে।

এর আগে সিঙ্গাপুর ফিনটেক ফেস্টিভাল ২০২৪-এও উইগ্রো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ১৩০টিরও বেশি দেশের স্টার্টআপকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয় প্রতিষ্ঠানটি।

উইগ্রো ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বিনিয়োগ, মানসম্মত কৃষি উপকরণ, উৎপাদন সহায়তা ও বাজারসংযোগ—এই চারটি ধাপকে প্রযুক্তির মাধ্যমে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসে। এর লক্ষ্য হলো- কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো, লাভজনকতা বৃদ্ধি করা এবং বাজারে প্রবেশাধিকার সহজ করা, যাতে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়।

উইগ্রোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের খাত নয়; এটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূলভিত্তি। আমরা চাই, কৃষকের উদ্ভাবন ও সম্ভাবনা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলো প্রমাণ করে—বাংলাদেশের কৃষি-প্রযুক্তি এখন বৈশ্বিক স্তরেও প্রতিযোগিতায় সক্ষম।”