ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

জনগণই নির্বাচন আদায় করবে নেবে: মির্জা আব্বাস

সাংবাদিক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকার নির্বাচন চায় না। তিনি বলেন, “নির্বাচন যদি করতেই হয়, তবে তা ডিসেম্বরের মধ্যেই করতে হবে। না হলে জনগণ নিজেরাই নির্বাচন আদায় করে নেবে।”

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন নিয়ে বারবার বিএনপিকে দোষারোপ করা হচ্ছে।

জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “তিনি দেশে বহু সংস্কার এনেছেন, কিন্তু সংস্কারের জন্য বিদেশি কাউকে আমদানি করেননি। অথচ বর্তমান সরকার সংস্কারের নামে বিদেশি লোককে এনে দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করেছে।”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, “খুব দুঃখের সঙ্গে বলি, ড. ইউনূস জাপানে বসে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। দেশের একজন নাগরিক হয়ে বিদেশে বসে দেশের বদনাম করাটা লজ্জার। উনি বলেছেন, একটি দল নির্বাচন চায়। আমরা বলছি, ড. ইউনূস নিজেই নির্বাচন চান না।”

তিনি আরও বলেন, “ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে বলে ইউনূস সাহেব নিজেই বলেছিলেন। পরে তিনি আবার জুনে নির্বাচনের কথা বলেন। নির্বাচন না হলে তার দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে। বাংলাদেশের জনগণ এ নির্বাচন আদায় করবেই। নইলে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা কঠিন হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা–কর্মী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:২৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
৯৫৮ Time View

জনগণই নির্বাচন আদায় করবে নেবে: মির্জা আব্বাস

আপডেটের সময় : ০৭:২৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকার নির্বাচন চায় না। তিনি বলেন, “নির্বাচন যদি করতেই হয়, তবে তা ডিসেম্বরের মধ্যেই করতে হবে। না হলে জনগণ নিজেরাই নির্বাচন আদায় করে নেবে।”

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন নিয়ে বারবার বিএনপিকে দোষারোপ করা হচ্ছে।

জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “তিনি দেশে বহু সংস্কার এনেছেন, কিন্তু সংস্কারের জন্য বিদেশি কাউকে আমদানি করেননি। অথচ বর্তমান সরকার সংস্কারের নামে বিদেশি লোককে এনে দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করেছে।”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, “খুব দুঃখের সঙ্গে বলি, ড. ইউনূস জাপানে বসে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। দেশের একজন নাগরিক হয়ে বিদেশে বসে দেশের বদনাম করাটা লজ্জার। উনি বলেছেন, একটি দল নির্বাচন চায়। আমরা বলছি, ড. ইউনূস নিজেই নির্বাচন চান না।”

তিনি আরও বলেন, “ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে বলে ইউনূস সাহেব নিজেই বলেছিলেন। পরে তিনি আবার জুনে নির্বাচনের কথা বলেন। নির্বাচন না হলে তার দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে। বাংলাদেশের জনগণ এ নির্বাচন আদায় করবেই। নইলে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা কঠিন হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা–কর্মী।