ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপূজার ছুটিতে এবারও বিশেষ ট্রেন, বাড়তি বগি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড

তেলের দাম বাড়ায় গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ

সাংবাদিক

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালক ও হেলপাররা। কোনো কোনো রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৩ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নগরের ১০ নম্বর রুটের বাসে ২ নম্বর গেইট থেকে আগ্রাবাদ পর্যন্ত আগে ১৫ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও সোমবার কোনো কোনো বাসে নেওয়া হয়েছে ২০ টাকা। একইভাবে মুরাদপুর থেকে আন্দরকিল্লা রুটে আগে ১৫ টাকা ভাড়া থাকলেও এখন ১৮ থেকে ২০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা সি বিচ পর্যন্ত ১০ নম্বর রুটের নন-এসি বাসের ভাড়া ছিল ৬৮ টাকা। তবে আজ কোনো কোনো বাসে ৮০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, গ্যাসচালিত বাসে গ্যাসের সংকটের সময় ভাড়া বাড়ানো হলেও সংকট কাটার পরও তা কমেনি। সোমবার নগরের বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহনে চলাচলকারী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নগরের ১০ নম্বর রুটের একটি বাসে ২ নম্বর গেইট থেকে আগ্রাবাদ যাওয়ার সময় ২০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয় বলে জানান শিক্ষিকা হাস্না হেনা। তিনি বলেন, ‘আগে এই দূরত্বের ভাড়া ১৫ টাকা দিয়েছি। আজ ২০ টাকা চাওয়া হয়েছে। পাঁচ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। কেন বাড়ানো হয়েছে জানতে চাইলে বলে তেলের দাম বেড়েছে।’

মুরাদপুর থেকে আন্দরকিল্লা যাতায়াতকারী বেসরকারি চাকরিজীবী আবুল বশর বলেন, ‘পেট্রলচালিত টেম্পুতে আগে ১৫ টাকা ভাড়া দিতাম। এখন ২০ টাকা নিচ্ছে।’

১০ নম্বর রুটের চালক শফিউল আলম বলেন, ‘কিছু কিছু বাসে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে, এটা ঠিক হয়নি। আমরা ২৪ ঘণ্টা পর বর্ধিত ভাড়া নেব।’

যাত্রীদের অভিযোগ, ভাড়া বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হচ্ছে না। অনেক বাসে নতুন ভাড়ার তালিকাও টানানো হয়নি। ফলে চালক বা হেলপার যে ভাড়া চাইছেন, সেটিই দিতে হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে অনেক সময় পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে যাত্রীদের তর্কে জড়াতে হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৮৪ Time View

তেলের দাম বাড়ায় গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ

আপডেটের সময় : ১২:১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালক ও হেলপাররা। কোনো কোনো রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৩ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নগরের ১০ নম্বর রুটের বাসে ২ নম্বর গেইট থেকে আগ্রাবাদ পর্যন্ত আগে ১৫ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও সোমবার কোনো কোনো বাসে নেওয়া হয়েছে ২০ টাকা। একইভাবে মুরাদপুর থেকে আন্দরকিল্লা রুটে আগে ১৫ টাকা ভাড়া থাকলেও এখন ১৮ থেকে ২০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা সি বিচ পর্যন্ত ১০ নম্বর রুটের নন-এসি বাসের ভাড়া ছিল ৬৮ টাকা। তবে আজ কোনো কোনো বাসে ৮০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, গ্যাসচালিত বাসে গ্যাসের সংকটের সময় ভাড়া বাড়ানো হলেও সংকট কাটার পরও তা কমেনি। সোমবার নগরের বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহনে চলাচলকারী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নগরের ১০ নম্বর রুটের একটি বাসে ২ নম্বর গেইট থেকে আগ্রাবাদ যাওয়ার সময় ২০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয় বলে জানান শিক্ষিকা হাস্না হেনা। তিনি বলেন, ‘আগে এই দূরত্বের ভাড়া ১৫ টাকা দিয়েছি। আজ ২০ টাকা চাওয়া হয়েছে। পাঁচ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। কেন বাড়ানো হয়েছে জানতে চাইলে বলে তেলের দাম বেড়েছে।’

মুরাদপুর থেকে আন্দরকিল্লা যাতায়াতকারী বেসরকারি চাকরিজীবী আবুল বশর বলেন, ‘পেট্রলচালিত টেম্পুতে আগে ১৫ টাকা ভাড়া দিতাম। এখন ২০ টাকা নিচ্ছে।’

১০ নম্বর রুটের চালক শফিউল আলম বলেন, ‘কিছু কিছু বাসে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে, এটা ঠিক হয়নি। আমরা ২৪ ঘণ্টা পর বর্ধিত ভাড়া নেব।’

যাত্রীদের অভিযোগ, ভাড়া বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হচ্ছে না। অনেক বাসে নতুন ভাড়ার তালিকাও টানানো হয়নি। ফলে চালক বা হেলপার যে ভাড়া চাইছেন, সেটিই দিতে হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে অনেক সময় পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে যাত্রীদের তর্কে জড়াতে হচ্ছে।