ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩৮ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে, বাসররাতেই বরের মৃত্যু এশিয়া কাপে বাংলাদেশের গ্রুপে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান প্রবাসী ভোটিংয়ে বাংলাদেশ মডেল অনুসরণের কথা ভাবছে নেপাল পেটে গজ রেখে সেলাই, চার মাস পর বীথির মৃত্যু দুই মাসের মধ্যে ১ হাজার খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ থাকতেই সরে দাঁড়ালেন আহমেদ ইসমেত, বিডিবিএলের নতুন চেয়ারম্যান হালিম চৌধুরী মহাখালীতে দাঁড়িয়ে থাকা এসি বাসে আগুন বরিশাল কারাগারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির হাসপাতালে মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি কমলেও চীন-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভাইরাল অডিওর কণ্ঠ সাবেক ওসি রাকিবুলের: ডিবি

নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল

সাংবাদিক

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে কি না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় ডোপ টেস্টের বিধান যুক্ত না করার বিষয়টি কেন আইনগতভাবে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আইনজীবী ইসরাত জাহান অনির করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য নির্বাচনি আইন ও বিধিমালা সংশোধন করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল বা স্বীকৃত ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়ার বিধান করার কথাও বলা হয়েছে।

রিটকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, বিদ্যমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বিধান রয়েছে বলে তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।

রিটে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই প্রার্থীদের মাদকমুক্ত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্টের বিধান করা প্রয়োজন—এমন যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

তবে হাইকোর্টের এই রুলের ফলে এখনই নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব এবং পরবর্তী আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:২৩:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৫৫ Time View

নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল

আপডেটের সময় : ১১:২৩:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে কি না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় ডোপ টেস্টের বিধান যুক্ত না করার বিষয়টি কেন আইনগতভাবে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আইনজীবী ইসরাত জাহান অনির করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য নির্বাচনি আইন ও বিধিমালা সংশোধন করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল বা স্বীকৃত ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়ার বিধান করার কথাও বলা হয়েছে।

রিটকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, বিদ্যমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বিধান রয়েছে বলে তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।

রিটে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই প্রার্থীদের মাদকমুক্ত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ডোপ টেস্টের বিধান করা প্রয়োজন—এমন যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

তবে হাইকোর্টের এই রুলের ফলে এখনই নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব এবং পরবর্তী আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।