ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন দিল একনেক হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু ৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ১১ ডিসেম্বর এইচএসসি: ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর ইরানে ফের হামলার পরিকল্পনা থেকে সরলেন ট্রাম্প ২০ বছর পর বাগেরহাটে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা গাজীপুরে নিহত শ্রমিকের গায়েবানা জানাজা : সাউন্ড গ্রেনেডে ছত্রভঙ্গ এনসিপি বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে গঠিত তদন্ত কমিশনের পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ ও দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে

সাংবাদিক

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের সঙ্গে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সকল সেনা কর্মকর্তাসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের স্মরণ করছি। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল একটি ভয়াবহ ও সুপরিকল্পিত জাতীয় ট্র্যাজেডি, যা শুধু সেনাবাহিনীর ওপর নয়—পুরো রাষ্ট্র কাঠামোর ওপর আঘাত হেনেছিল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণ সত্য আজও জাতির সামনে উন্মোচিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এই প্রেক্ষাপটে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে—পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট অবিলম্বে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। সত্য গোপন রেখে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

একই সঙ্গে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে, বহু নিরপরাধ বিডিআর সদস্য কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়ে বছরের পর বছর কারাবন্দি রয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ আজও উপস্থাপন করা হয়নি। আমরা অবিলম্বে এসব নিরপরাধ সদস্যদের মুক্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জাতীয় নিরাপত্তার বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে আমরা আরও স্পষ্টভাবে বলতে চাই— পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তি, তারা সামরিক, বেসামরিক বা রাজনৈতিক যেই হোক না কেন, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি— শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা কেবল আনুষ্ঠানিকতায় নয়, বরং সত্য উন্মোচন, ন্যায়বিচার ও নিরপরাধের মুক্তির মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন রাষ্ট্র, সেনাবাহিনীর সম্মান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ভবিষ্যতেও দায়িত্বশীল ও আপসহীন ভূমিকা পালন করে যাবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:৩৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৭৬৩ Time View

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে গঠিত তদন্ত কমিশনের পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ ও দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে

আপডেটের সময় : ০৮:৩৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের সঙ্গে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সকল সেনা কর্মকর্তাসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের স্মরণ করছি। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল একটি ভয়াবহ ও সুপরিকল্পিত জাতীয় ট্র্যাজেডি, যা শুধু সেনাবাহিনীর ওপর নয়—পুরো রাষ্ট্র কাঠামোর ওপর আঘাত হেনেছিল। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণ সত্য আজও জাতির সামনে উন্মোচিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

এই প্রেক্ষাপটে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে—পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে গঠিত তদন্ত কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট অবিলম্বে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। সত্য গোপন রেখে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

একই সঙ্গে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে, বহু নিরপরাধ বিডিআর সদস্য কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়ে বছরের পর বছর কারাবন্দি রয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ আজও উপস্থাপন করা হয়নি। আমরা অবিলম্বে এসব নিরপরাধ সদস্যদের মুক্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জাতীয় নিরাপত্তার বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে আমরা আরও স্পষ্টভাবে বলতে চাই— পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকল ব্যক্তি, তারা সামরিক, বেসামরিক বা রাজনৈতিক যেই হোক না কেন, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি— শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা কেবল আনুষ্ঠানিকতায় নয়, বরং সত্য উন্মোচন, ন্যায়বিচার ও নিরপরাধের মুক্তির মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়।
এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন রাষ্ট্র, সেনাবাহিনীর সম্মান ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ভবিষ্যতেও দায়িত্বশীল ও আপসহীন ভূমিকা পালন করে যাবে।