ঢাকা , রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিকালে বসছে সংসদ অধিবেশন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সৌদি প্রবাসীদের মাতালো এনটিভ দর্শক ও সাংস্কৃতিক ফোরাম স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী আর নেই বর্তমান পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় চিকিৎসাধীন যুবকের ওপর হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক আমিন বাজার সাদুল্যাপুর ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন ও সংহতি জাতিসংঘ মহাসচিবের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ

সাংবাদিক
আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার দুই দশক পূর্ণ হওয়ায় দিনটিকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজধানীর বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হন তিনি, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে।

গ্রেপ্তারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ১/১১–এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করে। তাদের মতে, এসব মামলার বেশিরভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন। দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। তাই কারাবন্দী দিবসটি বিএনপির কাছে শুধু একটি স্মৃতির দিন নয়, বরং রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
৫৬১ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ

আপডেটের সময় : ০৬:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার দুই দশক পূর্ণ হওয়ায় দিনটিকে স্মরণ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজধানীর বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকাকালে নির্যাতনের শিকার হন তিনি, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির মুখে পড়েন।

বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করে।

গ্রেপ্তারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ১/১১–এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করে। তাদের মতে, এসব মামলার বেশিরভাগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন। দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। তাই কারাবন্দী দিবসটি বিএনপির কাছে শুধু একটি স্মৃতির দিন নয়, বরং রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।