ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিজের অস্ত্রের গুলিতে রেলপুলিশ সদস্যের মৃত্যু চুক্তি না করলে ইরানে আবার হামলা শুরু: ট্রাম্প বিয়ের ফাঁদে সিরিয়াল প্রতারণা! একাধিক পুরুষকে টার্গেট করার অভিযোগ বিয়ের ফাঁদে সিরিয়াল প্রতারণা! একাধিক পুরুষকে টার্গেট করার অভিযোগ কোচিং বাণিজ্যে জিম্মি খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, ক্লাসে উপস্থিতিতে ধস অবৈধ অটোরিকশা-সিএনজি চলাচল রোধে সাভার হাইওয়ে পুলিশের সচেতনতা কার্যক্রম জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশবাসীকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাবনায় জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে থানায় মামলা দেবিদ্বার উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা

প্রধান বিচারপতি হলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

সাংবাদিক

বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।

এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।

এর আগে গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, নতুন প্রধান বিচারপতি শপথ নেবেন আগামী রোববার।

গত বছর ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ববান সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আগামী শনিবার তিনি  অবসরে যাবেন। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট বার্ষিক ছুটি থাকায় গত বৃহস্পতিবার তার জীবনের শেষ কর্ম দিবস। রীতি অনুযায়ী ঐদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে বিদায়ী প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।
জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।
ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৩৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
৬৪০ Time View

প্রধান বিচারপতি হলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

আপডেটের সময় : ০৫:৩৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।

এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয় প্রজ্ঞাপনে।

এর আগে গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম যুগান্তরকে জানিয়েছিলেন, নতুন প্রধান বিচারপতি শপথ নেবেন আগামী রোববার।

গত বছর ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ববান সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আগামী শনিবার তিনি  অবসরে যাবেন। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট বার্ষিক ছুটি থাকায় গত বৃহস্পতিবার তার জীবনের শেষ কর্ম দিবস। রীতি অনুযায়ী ঐদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে বিদায়ী প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।
জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।