ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের অনুসন্ধানে ১৮৭৪ কোটি টাকার কর ফাঁকি

সাংবাদিক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতায় নতুন গঠিত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট গত সাত মাসে ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকার কর ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৪ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে এনবিআরের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই বিশেষ ইউনিট। এর লক্ষ্য ছিল আয়কর ফাঁকির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস করা এবং কর সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে।

এনবিআর জানায়, কর ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ার পর এরই মধ্যে ৬৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ২৩১টি এ-চালানের মাধ্যমে ১১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। ইউনিটের এই সাফল্য রাজস্ব পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে এনবিআর।

আয়কর বিভাগের এ গোয়েন্দা ইউনিট ছাড়াও এনবিআরের আওতায় ভ্যাট এবং শুল্ক বিভাগের নিজস্ব তদন্ত ইউনিট রয়েছে। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (CIC) নামে আরও একটি স্বতন্ত্র ইউনিট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কর ফাঁকি রোধে।

বিজ্ঞপ্তিতে আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কার্যক্রমকে রাজস্ব প্রশাসনের জন্য একটি নৈতিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আইনি অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সংস্থাটির মতে, শুধু অর্থ উদ্ধার নয়, বরং করদাতাদের মধ্যে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও সচেতনতা বাড়াতে এই ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
৮০৩ Time View

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের অনুসন্ধানে ১৮৭৪ কোটি টাকার কর ফাঁকি

আপডেটের সময় : ০৫:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতায় নতুন গঠিত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট গত সাত মাসে ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকার কর ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৪ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে এনবিআরের অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই বিশেষ ইউনিট। এর লক্ষ্য ছিল আয়কর ফাঁকির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস করা এবং কর সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে।

এনবিআর জানায়, কর ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ার পর এরই মধ্যে ৬৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ২৩১টি এ-চালানের মাধ্যমে ১১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। ইউনিটের এই সাফল্য রাজস্ব পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে এনবিআর।

আয়কর বিভাগের এ গোয়েন্দা ইউনিট ছাড়াও এনবিআরের আওতায় ভ্যাট এবং শুল্ক বিভাগের নিজস্ব তদন্ত ইউনিট রয়েছে। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (CIC) নামে আরও একটি স্বতন্ত্র ইউনিট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কর ফাঁকি রোধে।

বিজ্ঞপ্তিতে আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের কার্যক্রমকে রাজস্ব প্রশাসনের জন্য একটি নৈতিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আইনি অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সংস্থাটির মতে, শুধু অর্থ উদ্ধার নয়, বরং করদাতাদের মধ্যে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও সচেতনতা বাড়াতে এই ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।