ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাতে

সাংবাদিক

ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশ আহরণে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে বুধবার রাত ১২টা থেকে। এই নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। চাঁদপুরের ষাটনল থেকে রামগতি পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নদীপথকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা টাস্কফোর্স। উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে উপকূলীয় এলাকায় চালানো হচ্ছে সচেতনতামূলক প্রচারণা।

জানা গেছে, ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণে জড়িত এ উপকূলীয় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার। মাছ ধরা বন্ধ থাকার সময়ে এসব জেলেকে ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জেলেদের কাছে এ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে যাবে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সৌরভ-উজ-জামান বলেন, জেলেদের সচেতন করার জন্য মেঘনা নদী ও উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সব ধরনের প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রতিদিন নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বছরের এ সময়ে সাগর থেকে নদীর মিঠাপানিতে ইলিশের বিচরণ ঘটে। এ কারণে চাঁদপুরের ষাটনল থেকে রামগতি পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকায় দিন-রাত অভিযান পরিচালনা করবে টাস্কফোর্স। প্রজনন রক্ষায় ২২ দিন এ এলাকায় মাছ আহরণ, পরিবহন, বিপণন, বিনিময় ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে মৎস্য আইনে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
৫১২ Time View

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাতে

আপডেটের সময় : ১২:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশ আহরণে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে বুধবার রাত ১২টা থেকে। এই নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। চাঁদপুরের ষাটনল থেকে রামগতি পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নদীপথকে ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা টাস্কফোর্স। উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে উপকূলীয় এলাকায় চালানো হচ্ছে সচেতনতামূলক প্রচারণা।

জানা গেছে, ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণে জড়িত এ উপকূলীয় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার। মাছ ধরা বন্ধ থাকার সময়ে এসব জেলেকে ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জেলেদের কাছে এ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে যাবে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সৌরভ-উজ-জামান বলেন, জেলেদের সচেতন করার জন্য মেঘনা নদী ও উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সব ধরনের প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রতিদিন নদীতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বছরের এ সময়ে সাগর থেকে নদীর মিঠাপানিতে ইলিশের বিচরণ ঘটে। এ কারণে চাঁদপুরের ষাটনল থেকে রামগতি পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকায় দিন-রাত অভিযান পরিচালনা করবে টাস্কফোর্স। প্রজনন রক্ষায় ২২ দিন এ এলাকায় মাছ আহরণ, পরিবহন, বিপণন, বিনিময় ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে মৎস্য আইনে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।