ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেডআরএফ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন ফরিদগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয়েছে : হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন বাকলিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে গুরুতর আহত সাংবাদিক, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

ছুটি সত্ত্বেও সচিবালয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হলেও দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের ছুটির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের অবকাশ শুরু হলেও তিনি সকাল ১১টায় সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে উপস্থিত হন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাধারণ ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং জরুরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর এদিনের কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।

আজ ১৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ছুটি আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে। উল্লেখ্য, গত দিন অর্থাৎ সোমবারও প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন এবং দিনাজপুরে সাহাপাড়া খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ছুটির মধ্যেও তার এই কর্মতৎপরতা প্রশাসনের গতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এবারের ঈদে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল, যার মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে।

এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের একটি দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ পেয়েছেন। এমন দীর্ঘ ছুটির প্রথম দিনেই সরকারপ্রধানের সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে কাজ করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও তাকে সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর এই নিয়মিত অফিস করার সিদ্ধান্তটি ছুটির মৌসুমেও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার একটি প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টানা ছুটির এই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ তদারকি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১০:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
৫৯৬ Time View

ছুটি সত্ত্বেও সচিবালয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ১০:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হলেও দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের ছুটির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের অবকাশ শুরু হলেও তিনি সকাল ১১টায় সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে উপস্থিত হন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাধারণ ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং জরুরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর এদিনের কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।

আজ ১৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ছুটি আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে। উল্লেখ্য, গত দিন অর্থাৎ সোমবারও প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন এবং দিনাজপুরে সাহাপাড়া খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ছুটির মধ্যেও তার এই কর্মতৎপরতা প্রশাসনের গতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এবারের ঈদে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল, যার মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে।

এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের একটি দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ পেয়েছেন। এমন দীর্ঘ ছুটির প্রথম দিনেই সরকারপ্রধানের সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে কাজ করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও তাকে সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর এই নিয়মিত অফিস করার সিদ্ধান্তটি ছুটির মৌসুমেও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার একটি প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টানা ছুটির এই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ তদারকি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।