ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

ছুটি সত্ত্বেও সচিবালয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হলেও দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের ছুটির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের অবকাশ শুরু হলেও তিনি সকাল ১১টায় সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে উপস্থিত হন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাধারণ ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং জরুরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর এদিনের কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।

আজ ১৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ছুটি আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে। উল্লেখ্য, গত দিন অর্থাৎ সোমবারও প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন এবং দিনাজপুরে সাহাপাড়া খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ছুটির মধ্যেও তার এই কর্মতৎপরতা প্রশাসনের গতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এবারের ঈদে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল, যার মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে।

এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের একটি দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ পেয়েছেন। এমন দীর্ঘ ছুটির প্রথম দিনেই সরকারপ্রধানের সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে কাজ করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও তাকে সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর এই নিয়মিত অফিস করার সিদ্ধান্তটি ছুটির মৌসুমেও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার একটি প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টানা ছুটির এই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ তদারকি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১০:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
৬১০ Time View

ছুটি সত্ত্বেও সচিবালয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ১০:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হলেও দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের ছুটির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের অবকাশ শুরু হলেও তিনি সকাল ১১টায় সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে উপস্থিত হন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাধারণ ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রী তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং জরুরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ও মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর এদিনের কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।

আজ ১৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ ছুটি আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে। উল্লেখ্য, গত দিন অর্থাৎ সোমবারও প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন এবং দিনাজপুরে সাহাপাড়া খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। ছুটির মধ্যেও তার এই কর্মতৎপরতা প্রশাসনের গতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এবারের ঈদে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল, যার মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৮ মার্চকেও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে।

এর সঙ্গে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের একটি দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ পেয়েছেন। এমন দীর্ঘ ছুটির প্রথম দিনেই সরকারপ্রধানের সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে কাজ করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেও তাকে সচিবালয় থেকে হেঁটে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা গিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর এই নিয়মিত অফিস করার সিদ্ধান্তটি ছুটির মৌসুমেও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার একটি প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টানা ছুটির এই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ তদারকি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।