ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানা ছুটি, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য ৭ নভেম্বর ৬ ঘণ্টা টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন, ২ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে পাসের চেয়ে আসন বেশি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাঁকা থাকবে সাড়ে ৮ লাখ আসন মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালো আন্দোলনকারীরা ছাত্রী নিহতের পর আইআইইউসি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিমি যানজট নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিএনপি নেতাকর্মীরাও

নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের

সাংবাদিক

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম। একই সঙ্গে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতের আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও সংস্থাটির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রোসাটমের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে রাশিয়া সফররত বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ। প্রথম ইউনিটের সফলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর এই প্রত্যাশা প্রকল্প সম্প্রসারণের ব্যাপারে নতুন আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ।

রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ গত ২৮ এপ্রিল রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের কাজ শুরু করে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট চালুর প্রক্রিয়ায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ ছিল।

২০১১ সালের চুক্তির ভিত্তিতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট (দুটি ইউনিট)। আগামী বছর এর দ্বিতীয় ইউনিটের চালুকরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে এর আগে জানিয়েছিল রোসাটম।

এদিকে, বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি রোসাটমের অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রতিও বাংলাদেশ আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন লিখাচেভ। তিনি জানান, ছোট আকারের এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:১৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
৫৭৭ Time View

নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের

আপডেটের সময় : ০৪:১৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম। একই সঙ্গে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতের আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও সংস্থাটির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রোসাটমের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে রাশিয়া সফররত বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ। প্রথম ইউনিটের সফলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর এই প্রত্যাশা প্রকল্প সম্প্রসারণের ব্যাপারে নতুন আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ।

রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ গত ২৮ এপ্রিল রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের কাজ শুরু করে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট চালুর প্রক্রিয়ায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ ছিল।

২০১১ সালের চুক্তির ভিত্তিতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট (দুটি ইউনিট)। আগামী বছর এর দ্বিতীয় ইউনিটের চালুকরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে এর আগে জানিয়েছিল রোসাটম।

এদিকে, বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি রোসাটমের অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রতিও বাংলাদেশ আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন লিখাচেভ। তিনি জানান, ছোট আকারের এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন।