একই সঙ্গে অনলাইনে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে ঘরে বসেই আবেদন করার সুযোগ পাওয়া যাবে।
নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করবেন যেভাবে
কেন আবার চালু হলো?
স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম ফের চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন আগের নিয়মেই ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির কাজ করা হবে।
সরাসরি যেভাবে আবেদন করবেন
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চাইলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস অথবা রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
এরপর নির্ধারিত ফরমে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন জমা দিতে হবে।
১. সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে যেতে হবে।
২. নির্ধারিত ভোটার এলাকা স্থানান্তরের ফরম সংগ্রহ ও পূরণ করতে হবে।
৩. প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিতে হবে।
৪. নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করবে।
অনলাইনেও করা যাবে
সরাসরি আবেদনের পাশাপাশি অনলাইনে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ইসি।
এ জন্য জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে ভোটার স্থানান্তরের অনলাইন লিংক সচল করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তবে অনলাইন সেবা পুরোপুরি চালু হওয়ার পর কীভাবে আবেদন করতে হবে, সে বিষয়ে ইসির নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
আবেদন যাচাই করবে নির্বাচন অফিস
ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করবে।
যাচাই-বাছাই শেষে নিয়ম অনুযায়ী আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ভোটার সংক্রান্ত তথ্যও আপডেট করা হবে।
অর্থাৎ শুধু আবেদন করলেই ভোটার এলাকা পরিবর্তন হয়ে যাবে না। নির্বাচন কার্যালয়ের যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পরই স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
কারা তদারকি করবেন?
ভোটার এলাকা স্থানান্তরের পুরো কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারক করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাই আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে যারা ভোটার এলাকা বদলাতে চান, তারা এখন সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে আবেদন করতে পারবেন।






















নিজের ভোটার এলাকা পরিবর্তন করবেন যেভাবে