ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাকিজা ট্রাফিক চেকপোস্টে থামলেই ভোগান্তি- অভিযোগ মোটরসাইকেল আরোহীদের আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পেক্স ক্লাব অফ চাঁদপুরের পালাবদল অনুষ্ঠিত আগামী ৩০ জুন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে চালু হচ্ছে ইত্তিহাদ রেলের যাত্রী সেবা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এআইইউবিতে দিনব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত অবশেষে হরমুজ পাড়ি দিল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সিংগাইরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী মাহিয়ার মরদেহ উদ্ধার, অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবি হিউম্যান রাইটস এলাইভ ভোলা জেলা কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৩ যুবক গ্রেপ্তার নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, আহবায়ক আওলাদ, সদস্য সচিব তারেক

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দূরপাল্লার বাস চলবে ১১ ফেব্রুয়ারিও

সাংবাদিক

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সারা দেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতি। 

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১০ ফেব্রুয়ারির অগ্রিম টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। মূলত ভোটাররা ভোটের এক দিন আগেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করায় ১০ ফেব্রুয়ারি যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ১১ ফেব্রুয়ারির টিকিটের চাহিদা এখন পর্যন্ত তুলনামূলক কম।

ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচলের বিষয়ে মালিক সমিতি জানিয়েছে যে, অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস সার্ভিস ওই দিন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে। যদিও বাস চলাচলের ওপর সরাসরি কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে পরিবহন খাতের বেশিরভাগ কর্মী ভোট দেওয়ার জন্য ছুটি চাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মালিক সমিতির সভাপতির মতে, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাতেই সার্ভিসগুলো আবারও পুরোদমে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় যান চলাচলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করলেও দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিথিলতা রাখা হয়েছে।

যানবাহন চলাচলের ওপর আরোপিত সরকারি বিধিনিষেধ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধ থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর।

১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৩২ ধারা অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে জরুরি সেবা, সাংবাদিক এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বিশেষ পাসের মাধ্যমে ছাড় দেওয়া হবে।

মালিক সমিতির এই স্পষ্ট বার্তার ফলে সাধারণ ভোটার ও যাত্রীদের মনে থাকা অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। তবে যাত্রীদের শেষ মুহূর্তের ভিড় ও ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করার পরামর্শ দিয়েছে মালিক সমিতি। নির্বাচন কমিশনের এই পরিবহন পরিকল্পনা মূলত নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটারদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৬৪৬ Time View

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দূরপাল্লার বাস চলবে ১১ ফেব্রুয়ারিও

আপডেটের সময় : ০২:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সারা দেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতি। 

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১০ ফেব্রুয়ারির অগ্রিম টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। মূলত ভোটাররা ভোটের এক দিন আগেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করায় ১০ ফেব্রুয়ারি যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ১১ ফেব্রুয়ারির টিকিটের চাহিদা এখন পর্যন্ত তুলনামূলক কম।

ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচলের বিষয়ে মালিক সমিতি জানিয়েছে যে, অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস সার্ভিস ওই দিন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে। যদিও বাস চলাচলের ওপর সরাসরি কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে পরিবহন খাতের বেশিরভাগ কর্মী ভোট দেওয়ার জন্য ছুটি চাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মালিক সমিতির সভাপতির মতে, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাতেই সার্ভিসগুলো আবারও পুরোদমে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় যান চলাচলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করলেও দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিথিলতা রাখা হয়েছে।

যানবাহন চলাচলের ওপর আরোপিত সরকারি বিধিনিষেধ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধ থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর।

১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৩২ ধারা অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে জরুরি সেবা, সাংবাদিক এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বিশেষ পাসের মাধ্যমে ছাড় দেওয়া হবে।

মালিক সমিতির এই স্পষ্ট বার্তার ফলে সাধারণ ভোটার ও যাত্রীদের মনে থাকা অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। তবে যাত্রীদের শেষ মুহূর্তের ভিড় ও ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করার পরামর্শ দিয়েছে মালিক সমিতি। নির্বাচন কমিশনের এই পরিবহন পরিকল্পনা মূলত নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটারদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।