নির্বাচন বৈধ না হলে আয়োজনের কোনো মানে হয় না: ড. ইউনূস
সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় সরকারি সফরে গিয়ে চ্যানেল নিউজ এশিয়াকে (সিএনএ) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যমটিকে ড. ইউনূস বলেছেন, নির্বাচন যদি বৈধ না হয় তাহলে তা আয়োজনের কোনো মানে হয় না। এজন্য আমি নিশ্চিত করবো, সবার কাছে যেন গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন এবং উপভোগ্য একটি নির্বাচন হয়।
তিনি বলেন, আমার কাজ হলে গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন এবং উপভোগ্য নির্বাচন করা। আমরা আমাদের নির্ধারিত এসব লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি যাচ্ছি। আমাদের অনেক কিছু সংস্কার করতে হবে। কারণ আমাদের যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা রয়েছে সেটি কারচুপি এবং অপব্যবহার করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কথা বলেছি। তাকে আহ্বান জানিয়েছি, যেন হাসিনাকে ভারতে চুপ রাখা হয়। মোদি আমাকে জানায়, সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ তারা করতে পারেন না। আমরা হাসিনাকে ভারত থেকে আনার জন্য যুদ্ধ করব না। আমি মোদিকে বলেছি, আপনি হাসিনাকে রাখতে পারেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আমাদের বিচার চলবে।
ড. ইউনূস বলেন, হাসিনাকে বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশে এখনো তার অনেক সমর্থক রয়েছে।
প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অবশ্যই আমাদের ভালো সম্পর্ক আছে। পাকিস্তান, চীন ও ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই। আমরা কখনও বলিনি, আমরা ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই না। ভারত চাইলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। চাইলে যে কেউ বিনিয়োগ করতে পারে। বিষয়টি হলো সুযোগের ব্যবহার। শুধু চীনকে যে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বিষয়টি এমন নয়। নেপাল এবং ভুটানকেও অর্থনৈতিক অঞ্চলে আনতে পারি। ভারতের সেভেন সিস্টার্সও এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে থাকতে পারে। বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে আমরা একই সুবিধা ভাগ করে নিতে পারি।



























বিএনপির ত্যাগী নেতাদের চাকরি, ডিলারশিপ ও ঠিকাদারি দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী