ঢাকা , শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ১০ দিনের ছুটি ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান, ছবি প্রকাশ বিনিয়োগবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ভিসা নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দূতাবাসের স্থানীয় সরকার নির্বাচন/ কেনাকাটা-প্রচারে ৭২ কোটি টাকা ব্যয় করবে ইসি রাড্ডায় ভাঙচুর, লুটপাট/ মিরপুর থেকে সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার শিক্ষা খাতের সংকট নিয়ে ফ্রান্সে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১,৭৪৭ ব্রোঞ্জও জেতা হয়নি লিটনদের বাংলামোটরে মারধর-গুলি/ ৫০ হাজার টাকা চাঁদার দাবি থেকে ঘটনার সূত্রপাত টিএইচই র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষে এআইইউবি

বাজারে শীতের আগাম সবজিতে উত্তাপ, কাঁচা মরিচে স্বস্তি

সাংবাদিক

রাজধানীর বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে আগাম শীতকালীন সবজি। পেপে বাদে বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ ছুঁই ছুঁই। এদিকে শীত আসার আগে শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তবে ভোক্তার জন্য স্বস্তির খবর হলো, বাজারে কাচামরিচের দাম কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। অন্য সবজির মধ্যে টমেটো ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, বরবটি, ঝিঙে ও করলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ধরনের উপর নির্ভর করে প্রতিটি লাউ ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে বাজারে মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই। ব্রয়লার মুরগির ১৮০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমান বাজারে মাছের দরদাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছ তাজা নাকি মৃত, মাছের আকার এবং আলাদা বাজারের কারণে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকার মতো পার্থক্য দেখা যায়।

বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, তুলনামূলক সহজলভ্য মাছ যেমন পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকার মধ্যে। রুই ও কাতলা মাছের দাম আকারভেদে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছের কেজি মিলছে ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। তবে দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা এবং সাধারণ শোল মাছের দাম একটু বেশি; এগুলো ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে এবং বড় শোল মাছের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি হাজার টাকার ওপরে খরচ করতে হচ্ছে।

মাছের দামের এই ওঠানামার বিষয়ে বিক্রেতা রহিম মিয়া জানান, মাছের কোনো নির্দিষ্ট দাম থাকে না। এটি মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। বাজারে মাছের আমদানি বেশি থাকলে দাম কমে যায়, আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দাম বেড়ে যায়। এমনকি সকাল-বিকেলেও দামের পরিবর্তন হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৫৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
৫৩৪ Time View

বাজারে শীতের আগাম সবজিতে উত্তাপ, কাঁচা মরিচে স্বস্তি

আপডেটের সময় : ০২:৫৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে আগাম শীতকালীন সবজি। পেপে বাদে বেশিরভাগ সবজির দাম ১০০ ছুঁই ছুঁই। এদিকে শীত আসার আগে শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তবে ভোক্তার জন্য স্বস্তির খবর হলো, বাজারে কাচামরিচের দাম কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। অন্য সবজির মধ্যে টমেটো ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, বরবটি, ঝিঙে ও করলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ধরনের উপর নির্ভর করে প্রতিটি লাউ ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে বাজারে মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই। ব্রয়লার মুরগির ১৮০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমান বাজারে মাছের দরদাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছ তাজা নাকি মৃত, মাছের আকার এবং আলাদা বাজারের কারণে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকার মতো পার্থক্য দেখা যায়।

বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, তুলনামূলক সহজলভ্য মাছ যেমন পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকার মধ্যে। রুই ও কাতলা মাছের দাম আকারভেদে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছের কেজি মিলছে ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। তবে দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা এবং সাধারণ শোল মাছের দাম একটু বেশি; এগুলো ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে এবং বড় শোল মাছের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি হাজার টাকার ওপরে খরচ করতে হচ্ছে।

মাছের দামের এই ওঠানামার বিষয়ে বিক্রেতা রহিম মিয়া জানান, মাছের কোনো নির্দিষ্ট দাম থাকে না। এটি মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। বাজারে মাছের আমদানি বেশি থাকলে দাম কমে যায়, আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দাম বেড়ে যায়। এমনকি সকাল-বিকেলেও দামের পরিবর্তন হয়।