ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জেডআরএফ’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান শান্তিরক্ষীদের অর্জন করা গৌরব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন ফরিদগঞ্জে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয়েছে : হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির অনুমোদন বাকলিয়ায় সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ছোঁড়া পাথরে গুরুতর আহত সাংবাদিক, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

ভাড়া বাসা থেকে নারী পুলিশ কনেস্টবলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সাংবাদিক

 রাসেল মাহমুদ,জেলা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী:– পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পুলিশের নারী কনেস্টবলের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই সন্তানের জননী এই হতভাগীর নাম মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৭)। শনিবার ভোররাতে কলাপাড়া থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পৌরশহর লাগোয়া টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামের ভাড়া বাসার তিন তলার একটি কক্ষ থেকে উর্মির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম এ খবর নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কনস্টেবল মেহেরুন্নেছা উর্মি ২০২৫ সালের ১২ মে কলাপাড়া থানায় যোগদান করেন। তাঁদের চার বছর বয়সী ফারিস্তা ও দেড় বছর বয়সী ফারদিন নামের দুই সন্তান রয়েছে। কলাপাড়া শহর লাগোয়া আমিরুল ইসলামের বহুতল ভবনের তিন তলার একটি কক্ষে তারা ভাড়া থাকতেন।

মৃত মেহেরুন্নেছা উর্মির স্বামী পুলিশের চাকরিচ্যুত সদস্য মহ্বিুর রহমান বাপ্পীও এ সময় বাসায় ছিলেন। তার বাড়ি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামে। আর মেহেরুন্নেছার বাড়ি আমতলী পৌরশহরে। তার বাবার নাম শাহজাহান মিয়া। স্বামী বাপ্পীর দাবি পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রতিদিনের মতো কথা কাটাকাটি হয়েছে। এক পর্যায়ে ডাইনিং রুমের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে উর্মি আত্মহত্যা করেন।

রাত দেড়টার দিকে বাপ্পী থানা পুলিশকে এ ঘটনা জানায়। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম আরো জানান, উর্মির মা খাদিজা বেগম, স্বামী মহিবুর রহমান বাপ্পীকে থানায় ডেকে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে মৃতের কারণ নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে পারিবারিক কলহের জের ধরে এই আত্মহননের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:৫১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
৬১০ Time View

ভাড়া বাসা থেকে নারী পুলিশ কনেস্টবলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেটের সময় : ০৬:৫১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

 রাসেল মাহমুদ,জেলা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী:– পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পুলিশের নারী কনেস্টবলের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই সন্তানের জননী এই হতভাগীর নাম মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৭)। শনিবার ভোররাতে কলাপাড়া থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পৌরশহর লাগোয়া টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামের ভাড়া বাসার তিন তলার একটি কক্ষ থেকে উর্মির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম এ খবর নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কনস্টেবল মেহেরুন্নেছা উর্মি ২০২৫ সালের ১২ মে কলাপাড়া থানায় যোগদান করেন। তাঁদের চার বছর বয়সী ফারিস্তা ও দেড় বছর বয়সী ফারদিন নামের দুই সন্তান রয়েছে। কলাপাড়া শহর লাগোয়া আমিরুল ইসলামের বহুতল ভবনের তিন তলার একটি কক্ষে তারা ভাড়া থাকতেন।

মৃত মেহেরুন্নেছা উর্মির স্বামী পুলিশের চাকরিচ্যুত সদস্য মহ্বিুর রহমান বাপ্পীও এ সময় বাসায় ছিলেন। তার বাড়ি বাউফল উপজেলার ইন্দ্রপুর গ্রামে। আর মেহেরুন্নেছার বাড়ি আমতলী পৌরশহরে। তার বাবার নাম শাহজাহান মিয়া। স্বামী বাপ্পীর দাবি পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রতিদিনের মতো কথা কাটাকাটি হয়েছে। এক পর্যায়ে ডাইনিং রুমের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে উর্মি আত্মহত্যা করেন।

রাত দেড়টার দিকে বাপ্পী থানা পুলিশকে এ ঘটনা জানায়। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম আরো জানান, উর্মির মা খাদিজা বেগম, স্বামী মহিবুর রহমান বাপ্পীকে থানায় ডেকে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে মৃতের কারণ নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে পারিবারিক কলহের জের ধরে এই আত্মহননের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।