ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নভেম্বরের শেষেই রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা রোসাটমের হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য: তাজমীন কীভাবে কক্সবাজারে গেল, জানালেন মা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সোবহানার ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, জুটিতেও রেকর্ড সোবহানার সেঞ্চুরিতে অজিদের বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াকু পুঁজি হ্যাটট্রিকের পর ফাইফার, হাসানের তোপে অলআউট আফগানিস্তান আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস নওগাঁয় ডিবি’র’ অভিযানে দুই কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার-৩ প্রতিপক্ষের চুল টেনে লাল কার্ড, নিষিদ্ধ হলেন ভিনিসিয়ুস মোদি-শাহকে চ্যালেঞ্জ করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা বিক্ষোভকারীদের ফেসবুকে পরিচয়ের ১৭ দিনেই কক্সবাজার যায় তাজমিন, ফেরার পথে হত্যাকাণ্ড

রিটেইল ও কার্ড ব্যবসা ছাড়ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

সাংবাদিক

বাংলাদেশে নিজেদের রিটেইল (ভোক্তা বা খুচরা) ব্যাংকিং ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ১৭৩ বছরের পুরোনো এই ব্যাংকটির লাভজনক রিটেইল ব্যবসা অধিগ্রহণে এরই মধ্যে প্রবল আগ্রহ দেখিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, গত জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগ্রহী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের পৃথক আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হয়নি।

জানা গেছে, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যাংকিং খাতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার আমানত এবং ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ‘সাদিক ইসলামিক ব্যাংকিং’, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষায়িত সেবা অন্তর্ভুক্ত। স্বল্প সুদের এই বিশাল আমানত ও ঋণ পোর্টফোলিও অধিগ্রহণ করতে পারলে সিটি বা ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক সূচক ও ব্র্যান্ড ভ্যালু উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

বৈশ্বিক কৌশলগত পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সম্প্রতি অ্যাঙ্গোলা, জর্ডান, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে তাদের রিটেইল ব্যাংকিং গুটিয়ে নিয়েছে। এর আগে বাংলাদেশে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি এইচএসবিসি এবং ২০০৫ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেসও তাদের রিটেইল ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছিল।

এদিকে রিটেইল ব্যবসা বিক্রির বিষয়টি নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড কর্তৃপক্ষ সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিষয়টিকে ‘বাজারের গুঞ্জন’ বলে এড়িয়ে গিয়ে ব্যাংকটি জানিয়েছে, ১২০ বছরের বেশি সময় ধরে থাকা বাংলাদেশের বাজারের প্রতি তারা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রয়োজনে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে তারা বৈশ্বিক ব্যবসায়িক মডেল মূল্যায়ন করে থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫৯৩ Time View

রিটেইল ও কার্ড ব্যবসা ছাড়ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক

আপডেটের সময় : ০৭:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে নিজেদের রিটেইল (ভোক্তা বা খুচরা) ব্যাংকিং ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ১৭৩ বছরের পুরোনো এই ব্যাংকটির লাভজনক রিটেইল ব্যবসা অধিগ্রহণে এরই মধ্যে প্রবল আগ্রহ দেখিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, গত জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগ্রহী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের পৃথক আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হয়নি।

জানা গেছে, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যাংকিং খাতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার আমানত এবং ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ‘সাদিক ইসলামিক ব্যাংকিং’, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষায়িত সেবা অন্তর্ভুক্ত। স্বল্প সুদের এই বিশাল আমানত ও ঋণ পোর্টফোলিও অধিগ্রহণ করতে পারলে সিটি বা ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক সূচক ও ব্র্যান্ড ভ্যালু উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

বৈশ্বিক কৌশলগত পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সম্প্রতি অ্যাঙ্গোলা, জর্ডান, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে তাদের রিটেইল ব্যাংকিং গুটিয়ে নিয়েছে। এর আগে বাংলাদেশে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি এইচএসবিসি এবং ২০০৫ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেসও তাদের রিটেইল ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছিল।

এদিকে রিটেইল ব্যবসা বিক্রির বিষয়টি নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড কর্তৃপক্ষ সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিষয়টিকে ‘বাজারের গুঞ্জন’ বলে এড়িয়ে গিয়ে ব্যাংকটি জানিয়েছে, ১২০ বছরের বেশি সময় ধরে থাকা বাংলাদেশের বাজারের প্রতি তারা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রয়োজনে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে তারা বৈশ্বিক ব্যবসায়িক মডেল মূল্যায়ন করে থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো