ঢাকা , বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাঁদপুরস্থ কচুয়া উপজেলা আইনজীবী কল্যাণ সমিতির-২০২৬ কার্যকরী কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অফ চাঁদপুরের ডিনার মিটিং অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুরে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ সম্পন্ন প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আরব দেশগুলোর অনুরোধে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা শোকের ছায়া হাজীগঞ্জে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খানের ইন্তেকালে বাকিলাজুড়ে শোকের মাতম জাতীয় সংসদে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহার জানাজা, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী মানবতা, ন্যায়বিচার ও বৈশ্বিক সেবার প্রত্যয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভ’ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের শুভ উদ্বোধন যুবশক্তি ছাত্র কল্যাণ সংঘ’র উদ্যোগে সেরা রক্তদাতা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সংবর্ধনা

সংরক্ষিত নারী আসনে জোরালো আলোচনায় অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এগিয়ে—তাকে সংসদে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম। দলীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সাবেক ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের নেতৃত্বের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি দুইবার নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে।
রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি বহুবার বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছেন। রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। তবুও তিনি পিছু হটেননি; বরং দল ও আদর্শের প্রতি অটল থেকে সামনে এগিয়ে গেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ১৯৯১ সালের পরাজিত শক্তির নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। তার সাহসী ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।
স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, “তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। তার মতো যোগ্য, সাহসী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে জাতীয় সংসদে দেখতে চাই।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের ভাষায়, তিনি এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদে গিয়ে জনগণের কথা দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সেই বিবেচনায় সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ পথচলা, সংগ্রামী জীবন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের আস্থার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
৬৯৩ Time View

সংরক্ষিত নারী আসনে জোরালো আলোচনায় অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া

আপডেটের সময় : ০৪:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এগিয়ে—তাকে সংসদে দেখতে চায় নেতাকর্মীরা।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম। দলীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা, ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রেখেছে।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সাবেক ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের নেতৃত্বের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি দুইবার নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে।
রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি বহুবার বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হয়েছেন। রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। তবুও তিনি পিছু হটেননি; বরং দল ও আদর্শের প্রতি অটল থেকে সামনে এগিয়ে গেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ১৯৯১ সালের পরাজিত শক্তির নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যারা মাঠে সক্রিয় ছিলেন, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। তার সাহসী ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।
স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, “তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। তার মতো যোগ্য, সাহসী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে জাতীয় সংসদে দেখতে চাই।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের ভাষায়, তিনি এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি সংসদে গিয়ে জনগণের কথা দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সেই বিবেচনায় সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ পথচলা, সংগ্রামী জীবন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের আস্থার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নাম এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।