ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘লার্ন অ্যান্ড গ্রো’-এর রোবটিক্স কর্মশালা অনুষ্ঠিত সফলভাবে সম্পন্ন হলো “Study & Career Opportunities in Japan” শীর্ষক সেমিনার সময় টিভি দখলে ‘মাস্টারপ্ল্যান’: নেপথ্যে সিআরআই সিন্ডিকেট, গুলশান কার্যালয় উত্তাল! বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি মামুনুর রশীদ, সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয় আর কোনো স্বৈরাচার যেন পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে বিআইএমএএসসি ও প্যান সলিউশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন ৪১৩ রানে প্রথম ইনিংস থামল বাংলাদেশের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি

সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও গভীর শোক প্রকাশ করছে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন

সাংবাদিক

সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের বর্বর ও নৃশংস হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন বীর শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও ৮ জন শান্তিরক্ষী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর শোক, ক্ষোভ এবং তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

শান্তি, মানবতা ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনের মহান ব্রত নিয়ে জাতিসংঘের পতাকার নিচে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য এক গভীর আঘাত। এই হামলা প্রমাণ করে যে সন্ত্রাসবাদ এখনো বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি।

এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন মনে করে, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের অন্যতম শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার ও আত্মত্যাগী বাহিনী হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুপরিচিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় নিরস্ত্র মানুষকে রক্ষা, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে গিয়ে বারবার নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে আসছেন আমাদের এই বীর সন্তানরা। আবেই অঞ্চলে সংঘটিত এই মর্মান্তিক ঘটনা সেই আত্মত্যাগের আরেকটি রক্তাক্ত অধ্যায়।

নিহত ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর আত্মত্যাগ জাতি কখনোই ভুলবে না। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁদের স্মরণ করছে এবং মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছে। একইসঙ্গে শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছে। এই শোকের সময়ে আমরা তাঁদের পাশে আছি—নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সব দিক থেকেই।

আহত আটজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন। আমরা প্রত্যাশা করি, জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আহতদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সব সহায়তা অবিলম্বে নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ সরকার ও নিউইয়র্কে অবস্থিত স্থায়ী মিশনের মাধ্যমে জাতিসংঘের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে, তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের রক্ত বিশ্বশান্তির ইতিহাসে সাহস, ত্যাগ ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন ভবিষ্যতেও দেশের সশস্ত্র বাহিনী, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত সকল বাংলাদেশি সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।

পরিশেষে, এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন এই শোকাবহ মুহূর্তে জাতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে—বিশ্বজুড়ে শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের জন্য।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
৬৬৯ Time View

সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও গভীর শোক প্রকাশ করছে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন

আপডেটের সময় : ০৩:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের বর্বর ও নৃশংস হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন বীর শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও ৮ জন শান্তিরক্ষী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর শোক, ক্ষোভ এবং তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

শান্তি, মানবতা ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনের মহান ব্রত নিয়ে জাতিসংঘের পতাকার নিচে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য এক গভীর আঘাত। এই হামলা প্রমাণ করে যে সন্ত্রাসবাদ এখনো বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি।

এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন মনে করে, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের অন্যতম শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার ও আত্মত্যাগী বাহিনী হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সুপরিচিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় নিরস্ত্র মানুষকে রক্ষা, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে গিয়ে বারবার নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে আসছেন আমাদের এই বীর সন্তানরা। আবেই অঞ্চলে সংঘটিত এই মর্মান্তিক ঘটনা সেই আত্মত্যাগের আরেকটি রক্তাক্ত অধ্যায়।

নিহত ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর আত্মত্যাগ জাতি কখনোই ভুলবে না। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁদের স্মরণ করছে এবং মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছে। একইসঙ্গে শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছে। এই শোকের সময়ে আমরা তাঁদের পাশে আছি—নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সব দিক থেকেই।

আহত আটজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন। আমরা প্রত্যাশা করি, জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আহতদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সব সহায়তা অবিলম্বে নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ সরকার ও নিউইয়র্কে অবস্থিত স্থায়ী মিশনের মাধ্যমে জাতিসংঘের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে, তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের রক্ত বিশ্বশান্তির ইতিহাসে সাহস, ত্যাগ ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন ভবিষ্যতেও দেশের সশস্ত্র বাহিনী, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত সকল বাংলাদেশি সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।

পরিশেষে, এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন এই শোকাবহ মুহূর্তে জাতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে—বিশ্বজুড়ে শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের জন্য।