হাজীগঞ্জের রাজনীতিতে শোকের ছায়া – বিএনপি’র উজ্জ্বল নক্ষত্র সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এম. এ. নাফের শাহ আর নেই
হাজীগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক নিবেদিত-প্রাণ সংগঠক, ২নং বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এবং হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক: এম. এ. নাফের শাহ্ (আবু নাফের শাহ্) আর নেই।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃ’ত্যু’তে হাজীগঞ্জসহ পুরো চাঁদপুর জেলায় শো’কের আবহ বিরাজ করছে। রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, অনুসারী ও সর্ব-স্ত’রের সাধারণ মানুষ গ’ভী’র বেদনায় শো’ক প্র’কাশ করেছেন।
রাজনীতির মাঠে এক সংগ্রা’মী পথচলা
এম. এ. নাফের শাহ ছিলেন তৃণমূল রাজনীতির পরী’ক্ষি’ত ও ত্যা’গী নেতা। ২নং বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকায় উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও সাংগঠনিক শক্তি বৃ’দ্ধি’তে গু’রু’ত্ব’পূর্ণ ভূ’মিকা রাখেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকেই তাঁর উত্থান। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বশেষ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি হাজারো নেতাকর্মী গড়ে তুলেছেন। দল-মত নির্বিশেষে সবার সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে সংগঠনকে সু-সংগঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। সহকর্মীদের ভাষায়,
“তিনি ছিলেন একজন সংগঠক তৈরির কারিগর—হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।”
সর্ব-মহলের শো’ক – প্র’বীণ এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুসংবাদে হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের দুইবারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ২নং বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান: মো, মিজানুর রহমান মিলন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
একইসঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপি, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শোক জানিয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
এছাড়া চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক গভীর শোক প্রকাশ করে শো’ক-স’ন্ত’প্ত পরিবারের প্র’তি সম’বে’দ’না জ্ঞা’পন করেছেন।
হাজীগঞ্জ উপজেলা ও ২নং বাকিলা ইউনিয়নের রাজনৈতিক অ’ঙ্গ’নে এম. এ. নাফের শাহ ছিলেন এক পরিচিত ও শ্র’দ্ধে’য় মুখ। স’ততা, দৃ’ঢ়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য তিনি সর্ব-মহলে স’ম্মা’নিত ছিলেন।
তাঁর আ’ক’স্মি’ক প্র’য়াণে যে শূ’ন্য’তা সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক এটা কর্মীরা ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাঁর নামাজে জানাজার সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। ঢাকা হাসপাতাল থেকে মরদহ তার নিজ বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
মহান আল্লাহ তাআলা যেন মরহুমের জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে তাঁকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করেন এবং শোকাহত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন—এমন দোয়া করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল তাঁর বিদায়ে। স্মৃতিতে, আদর্শে ও কর্মে তিনি বেঁচে থাকবেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম।





















