ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

হামের টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাংবাদিক

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার হামসহ ছয়টি রোগের টিকা সংগ্রহে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, “টিকা কবে নাগাদ আসবে ইট ইজ নট ইন মাই হ্যান্ড। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের টিকা আসবে। টিকা আসার সাথে সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

“আমাদের জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের সকল চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং এই মিজেলসের আক্রমণের ভেতরে আমরা যে র‌্যাপিডলি ভেন্টিলেটর এবং আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি, অতীতে কোনোদিন হয়নি। উই উইল কন্টিনিউ আওয়ার এফোর্ট। ইনশআল্লাহ আমরা করে যাব।”

এদিন দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হয়। ১০ জানুয়ারি ক্যাম্প এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। ওই সময় রাজধানীর বস্তি এলাকায় হামের রোগী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

গত শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। তাদের বড় অংশই হামের রোগী।

ভাইরাসজনিত এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ কয়েক জেলায় শিশুদের মৃত্যর খবরও এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে দাবি করেন, গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি। তবে মন্ত্রীর দেওয়া এ তথ্য যে পুরোপুরি সঠিক নয়, সে তথ্য সোশাল মিডিয়ায় সামনে এনেছেন অনেক অভিভাবক। কেউ কেউ তাদের সন্তানের টিকা কার্ডের ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে হামের টিকা দেওয়ার তথ্য রয়েছে।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও ৪ লাখের মত শিশু ঠিকমতো সব টিকা পায়নি এবং ৭০ হাজার (১ দশমিক ৫ শতাংশ) শিশু একেবারেই টিকা পায়নি।

শহর অঞ্চলগুলোতে টিকা না পাওয়ার হার বেশি, মাত্র ৭৯ শতাংশ পুরোপুরি টিকা পেয়েছে। ২ দশমিক ৪ শতাংশ এক ডোজ টিকাও পায়নি এবং ৯ দশমিক ৮ শতাংশ টিকার সব ডোজ ঠিকমতন পায়নি; সেই তুলনায় গ্রামাঞ্চলগুলোতে ৮৫ শতাংশ শিশু টিকার সব ডোজ পেয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:২৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
৬১৩ Time View

হামের টিকা আসার সঙ্গে সঙ্গে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০২:২৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার হামসহ ছয়টি রোগের টিকা সংগ্রহে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, “টিকা কবে নাগাদ আসবে ইট ইজ নট ইন মাই হ্যান্ড। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের টিকা আসবে। টিকা আসার সাথে সাথে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

“আমাদের জনগণকে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের সকল চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং এই মিজেলসের আক্রমণের ভেতরে আমরা যে র‌্যাপিডলি ভেন্টিলেটর এবং আইসিইউ ইউনিট এবং ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি, অতীতে কোনোদিন হয়নি। উই উইল কন্টিনিউ আওয়ার এফোর্ট। ইনশআল্লাহ আমরা করে যাব।”

এদিন দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামের রোগী শনাক্ত হয়। ১০ জানুয়ারি ক্যাম্প এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। ওই সময় রাজধানীর বস্তি এলাকায় হামের রোগী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

গত শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। তাদের বড় অংশই হামের রোগী।

ভাইরাসজনিত এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ কয়েক জেলায় শিশুদের মৃত্যর খবরও এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে দাবি করেন, গত ৮ বছর দেশে হামের টিকাই দেওয়া হয়নি। তবে মন্ত্রীর দেওয়া এ তথ্য যে পুরোপুরি সঠিক নয়, সে তথ্য সোশাল মিডিয়ায় সামনে এনেছেন অনেক অভিভাবক। কেউ কেউ তাদের সন্তানের টিকা কার্ডের ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে হামের টিকা দেওয়ার তথ্য রয়েছে।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও ৪ লাখের মত শিশু ঠিকমতো সব টিকা পায়নি এবং ৭০ হাজার (১ দশমিক ৫ শতাংশ) শিশু একেবারেই টিকা পায়নি।

শহর অঞ্চলগুলোতে টিকা না পাওয়ার হার বেশি, মাত্র ৭৯ শতাংশ পুরোপুরি টিকা পেয়েছে। ২ দশমিক ৪ শতাংশ এক ডোজ টিকাও পায়নি এবং ৯ দশমিক ৮ শতাংশ টিকার সব ডোজ ঠিকমতন পায়নি; সেই তুলনায় গ্রামাঞ্চলগুলোতে ৮৫ শতাংশ শিশু টিকার সব ডোজ পেয়েছে।