ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন দিল একনেক হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু ৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ১১ ডিসেম্বর এইচএসসি: ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর ইরানে ফের হামলার পরিকল্পনা থেকে সরলেন ট্রাম্প ২০ বছর পর বাগেরহাটে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা গাজীপুরে নিহত শ্রমিকের গায়েবানা জানাজা : সাউন্ড গ্রেনেডে ছত্রভঙ্গ এনসিপি বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের

দেশে পৌঁছেছে কলকাতায় আগুনে নিহত সাজুর মরদেহ

সাংবাদিক

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলমিুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি দেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন ভোমরা স্থলবন্দরের অফিসার ইনচার্জ সজিব বালা।

মো. আলমিুজ্জামান সাজু কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী সরদারের ছেলে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর খালাতো ভাই। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল (সেটেলমেন্ট অফিসের পাশে) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

সাজুর খালাতো ভাই তাহমিদ শাহেদ চয়ন বলেন, চিকিৎসা নিতে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন সাজু। চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পথে কলকাতার ওই হোটেলে ওঠেন তিনি।

নিহতের আপন ভাই মাহমুদুজ্জামান দিপু বলেন, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সাজুর দাফন কাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে ও দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯ জনের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন।

তারা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের বাসিন্দা মো. আলমিুজ্জামান সাজু, কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় সংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪), সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহম্মেদ বাবু ( ৩৭ )।

এদিকে সাতক্ষীরার অপর নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকার কাজের জন্য কার্যক্রম চালাতে বলেছেন বাংলাদেশি স্বজনরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
৬১৪ Time View

দেশে পৌঁছেছে কলকাতায় আগুনে নিহত সাজুর মরদেহ

আপডেটের সময় : ০৭:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলমিুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি দেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন ভোমরা স্থলবন্দরের অফিসার ইনচার্জ সজিব বালা।

মো. আলমিুজ্জামান সাজু কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী সরদারের ছেলে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর খালাতো ভাই। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল (সেটেলমেন্ট অফিসের পাশে) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

সাজুর খালাতো ভাই তাহমিদ শাহেদ চয়ন বলেন, চিকিৎসা নিতে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন সাজু। চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পথে কলকাতার ওই হোটেলে ওঠেন তিনি।

নিহতের আপন ভাই মাহমুদুজ্জামান দিপু বলেন, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সাজুর দাফন কাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে ও দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯ জনের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন।

তারা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের বাসিন্দা মো. আলমিুজ্জামান সাজু, কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় সংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪), সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহম্মেদ বাবু ( ৩৭ )।

এদিকে সাতক্ষীরার অপর নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকার কাজের জন্য কার্যক্রম চালাতে বলেছেন বাংলাদেশি স্বজনরা।