ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শনিবার টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ছে লোডশেডিং আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুর সফটওয়্যার তৈরি করবে নির্বাচন কমিশন ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা ভিন্নমত যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়: সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী র‍্যাব বিলুপ্ত, এসআরবি বিল সংসদে পাস ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেকোনো বৈধ প্রার্থীই লড়তে পারবেন’

দেশে পৌঁছেছে কলকাতায় আগুনে নিহত সাজুর মরদেহ

সাংবাদিক

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলমিুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি দেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন ভোমরা স্থলবন্দরের অফিসার ইনচার্জ সজিব বালা।

মো. আলমিুজ্জামান সাজু কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী সরদারের ছেলে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর খালাতো ভাই। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল (সেটেলমেন্ট অফিসের পাশে) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

সাজুর খালাতো ভাই তাহমিদ শাহেদ চয়ন বলেন, চিকিৎসা নিতে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন সাজু। চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পথে কলকাতার ওই হোটেলে ওঠেন তিনি।

নিহতের আপন ভাই মাহমুদুজ্জামান দিপু বলেন, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সাজুর দাফন কাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে ও দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯ জনের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন।

তারা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের বাসিন্দা মো. আলমিুজ্জামান সাজু, কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় সংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪), সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহম্মেদ বাবু ( ৩৭ )।

এদিকে সাতক্ষীরার অপর নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকার কাজের জন্য কার্যক্রম চালাতে বলেছেন বাংলাদেশি স্বজনরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৭:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
৫৪৫ Time View

দেশে পৌঁছেছে কলকাতায় আগুনে নিহত সাজুর মরদেহ

আপডেটের সময় : ০৭:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলমিুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি দেশে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন ভোমরা স্থলবন্দরের অফিসার ইনচার্জ সজিব বালা।

মো. আলমিুজ্জামান সাজু কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মো. ইউনুস আলী সরদারের ছেলে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতীর খালাতো ভাই। তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল (সেটেলমেন্ট অফিসের পাশে) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।

সাজুর খালাতো ভাই তাহমিদ শাহেদ চয়ন বলেন, চিকিৎসা নিতে ভারতের বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন সাজু। চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পথে কলকাতার ওই হোটেলে ওঠেন তিনি।

নিহতের আপন ভাই মাহমুদুজ্জামান দিপু বলেন, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সাজুর দাফন কাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ২টার দিকে কলকাতার নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইন-এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে ও দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯ জনের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি আছেন।

তারা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের বাসিন্দা মো. আলমিুজ্জামান সাজু, কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় সংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (২৫), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪), সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহম্মেদ বাবু ( ৩৭ )।

এদিকে সাতক্ষীরার অপর নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকার কাজের জন্য কার্যক্রম চালাতে বলেছেন বাংলাদেশি স্বজনরা।