ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় দলের শেষ ম্যাচের আগে মেসির হৃদয়ছোঁয়া বার্তা কানাডায় উচ্চশিক্ষায় নারীদের অগ্রগতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ৭১ শতাংশ ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাথালিয়া ইউনিয়নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসংস্থানের দাবিতে রাতভর অবস্থান, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটরা হঠাৎ বন্ধ ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা, জানেই না বাংলাদেশ ব্যাংক ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা থাইল্যান্ডকে হারিয়ে আসিয়ান কাপের প্রথম চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়া ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা ১১ দলীয় ঐক্যের জরুরি সভা, লংমার্চ নিয়ে এলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

কানাডায় উচ্চশিক্ষায় নারীদের অগ্রগতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ৭১ শতাংশ

সাংবাদিক

কানাডায় উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ও শিক্ষাগত যোগ্যতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী নারীদের ৭১ শতাংশের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। এক দশক আগে, ২০১৫ সালে এই হার ছিল ৬১ শতাংশ।

নারীদের শিক্ষাগত অগ্রগতির এই চিত্র দেশটির শিক্ষা ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধান কমে আসার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় নারীদের ক্রমবর্ধমান সাফল্যের প্রতিফলন। একই বয়সসীমার পুরুষদের মধ্যে ২০২৫ সালে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের হার ছিল ৫৭ শতাংশ। ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ, উচ্চশিক্ষায় নারীরা বর্তমানে পুরুষদের তুলনায় ১৪ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।

স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার অবদান সবচেয়ে বেশি। স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট ডিগ্রিধারী নারীর সংখ্যাও বেড়েছে।

অন্যদিকে, পুরুষদের মধ্যে কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রতি আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। ফলে নারী ও পুরুষের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালে কানাডার ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর ৬৪ শতাংশের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এক দশকে দেশটির কর্মক্ষম বয়সী জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষা ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষায় নারীদের এই অগ্রগতি কর্মসংস্থান, পেশাগত দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে থাকার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, বেতনবৈষম্য দূর করা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
৫০৩ Time View

কানাডায় উচ্চশিক্ষায় নারীদের অগ্রগতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ৭১ শতাংশ

আপডেটের সময় : ১২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

কানাডায় উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ও শিক্ষাগত যোগ্যতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী নারীদের ৭১ শতাংশের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। এক দশক আগে, ২০১৫ সালে এই হার ছিল ৬১ শতাংশ।

নারীদের শিক্ষাগত অগ্রগতির এই চিত্র দেশটির শিক্ষা ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধান কমে আসার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় নারীদের ক্রমবর্ধমান সাফল্যের প্রতিফলন। একই বয়সসীমার পুরুষদের মধ্যে ২০২৫ সালে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের হার ছিল ৫৭ শতাংশ। ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ, উচ্চশিক্ষায় নারীরা বর্তমানে পুরুষদের তুলনায় ১৪ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।

স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার অবদান সবচেয়ে বেশি। স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট ডিগ্রিধারী নারীর সংখ্যাও বেড়েছে।

অন্যদিকে, পুরুষদের মধ্যে কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রতি আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। ফলে নারী ও পুরুষের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালে কানাডার ২৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর ৬৪ শতাংশের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এক দশকে দেশটির কর্মক্ষম বয়সী জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষা ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষায় নারীদের এই অগ্রগতি কর্মসংস্থান, পেশাগত দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে থাকার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, বেতনবৈষম্য দূর করা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ।