ঢাকা , শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়াকে ২ গোল দিয়ে ৯ গোল খেল বাংলাদেশ

সাংবাদিক

ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটিও দুঃস্বপ্নের মতো কাটল বাংলাদেশের। প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজমের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিনবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। শেষ পর্যন্ত ৯-২ গোলের বড় হার নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে হামজা চৌধুরীর দল।

জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিকরা। ১১ মিনিটে মিচেল বেকারের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনিই। ৩১ মিনিটে রিজকি রিদোর গোলে স্কোর ৩-০ করে ইন্দোনেশিয়া।

৩৬ মিনিটে শাহরিয়ার ইমন বাংলাদেশের হয়ে একটি গোল শোধ করেন। সুকি ইতোফুসার কাটব্যাক থেকে হেডে বল জালে পাঠান তিনি। আসিয়ান কাপে এটিই বাংলাদেশের প্রথম গোল। তবে এক মিনিট পরই নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বেকার। ৪২ মিনিটে তাঁর চতুর্থ গোলের পর যোগ করা সময়ে জাস্টিন হাবনারের হেডে ৬-১ হয় প্রথমার্ধের স্কোর।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তিনটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। সুকি ইতোফুসা ও ইমনকে তুলে ফারহান আলী ও মিনহাজুল করিমকে নামানো হয়। চোটের কারণে প্রথমার্ধেই মাঠ ছাড়া শমিত সোমের জায়গায় নামেন সোহেল রানাও।

বিরতির পর কিছুটা সময় গোল আটকাতে পারলেও ৮৪ মিনিটে রমনির গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ৮৯ মিনিটে ফারহান আলী সুযোগ নষ্ট করলেও যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান কমান তিনি।

এরপরও স্বস্তি মেলেনি বাংলাদেশের। দ্বিতীয়ার্ধে ইন্দোনেশিয়ার প্রথম গোলটি করেন লুক বিকারি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ ও সপ্তম মিনিটে কেভিন ডিকস ও লি বেকার আরও দুই গোল করলে ৯-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।

ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়ায়। শেষ বাঁশির পর বাংলাদেশের অধিনায়ক হামজা চৌধুরীকে ক্ষুব্ধ অবস্থায় মাঠ ছাড়তে দেখা যায়। কোচিং স্টাফের সদস্যরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ এবং সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ইন্দোনেশিয়ার কাছে হেরে কোনো পয়েন্ট ছাড়াই আসিয়ান কাপ শেষ করল বাংলাদেশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
৫১২ Time View

ইন্দোনেশিয়াকে ২ গোল দিয়ে ৯ গোল খেল বাংলাদেশ

আপডেটের সময় : ১১:১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটিও দুঃস্বপ্নের মতো কাটল বাংলাদেশের। প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজমের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিনবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। শেষ পর্যন্ত ৯-২ গোলের বড় হার নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে হামজা চৌধুরীর দল।

জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিকরা। ১১ মিনিটে মিচেল বেকারের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনিই। ৩১ মিনিটে রিজকি রিদোর গোলে স্কোর ৩-০ করে ইন্দোনেশিয়া।

৩৬ মিনিটে শাহরিয়ার ইমন বাংলাদেশের হয়ে একটি গোল শোধ করেন। সুকি ইতোফুসার কাটব্যাক থেকে হেডে বল জালে পাঠান তিনি। আসিয়ান কাপে এটিই বাংলাদেশের প্রথম গোল। তবে এক মিনিট পরই নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বেকার। ৪২ মিনিটে তাঁর চতুর্থ গোলের পর যোগ করা সময়ে জাস্টিন হাবনারের হেডে ৬-১ হয় প্রথমার্ধের স্কোর।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তিনটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। সুকি ইতোফুসা ও ইমনকে তুলে ফারহান আলী ও মিনহাজুল করিমকে নামানো হয়। চোটের কারণে প্রথমার্ধেই মাঠ ছাড়া শমিত সোমের জায়গায় নামেন সোহেল রানাও।

বিরতির পর কিছুটা সময় গোল আটকাতে পারলেও ৮৪ মিনিটে রমনির গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ৮৯ মিনিটে ফারহান আলী সুযোগ নষ্ট করলেও যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান কমান তিনি।

এরপরও স্বস্তি মেলেনি বাংলাদেশের। দ্বিতীয়ার্ধে ইন্দোনেশিয়ার প্রথম গোলটি করেন লুক বিকারি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ ও সপ্তম মিনিটে কেভিন ডিকস ও লি বেকার আরও দুই গোল করলে ৯-২ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।

ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়ায়। শেষ বাঁশির পর বাংলাদেশের অধিনায়ক হামজা চৌধুরীকে ক্ষুব্ধ অবস্থায় মাঠ ছাড়তে দেখা যায়। কোচিং স্টাফের সদস্যরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ এবং সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ইন্দোনেশিয়ার কাছে হেরে কোনো পয়েন্ট ছাড়াই আসিয়ান কাপ শেষ করল বাংলাদেশ।