ইসরাইলের ঔদ্ধত্যে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন তারেক রহমান
মধ্যপ্রাচ্যকে ক্রমেই এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ইসরাইল। গাজায় গণহত্যার সঙ্গে লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেনের মতো দেশে একের পর এক বিমান হামলা চালাচ্ছে তারা। সবশেষ কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন কাতার ও ফিলিস্তিনের বেশ কয়েকজন নাগরিক। ইসরাইলের এমন ঔদ্ধত্যের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল পৌনে পাঁচটায় দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশিরা সবসময়ই সহিংস ঔপনিবেশিক দমন-পীড়ন ও অস্তিত্ব মুছে ফেলার বিরুদ্ধে আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে এবং গর্বের সাথে তা অব্যাহত রেখেছে।’
‘সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী দখলকৃত পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা, যা ভবিষ্যতে কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে কার্যত অসম্ভব করে তুলবে, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি জনগণ, তাদের সংস্কৃতি, ভূমি ও ইতিহাসের উপর চলমান বর্ণবৈষম্য ও হামলা নিছক গণহত্যা নয়, বরং ফিলিস্তিনিদের পরিকল্পিত জাতিগত নিধন। এটি ঘৃণ্য’-যোগ করেন তারেক রহমান।
তিনি ইসরাইলের আগ্রাসী আচরণের কারণে মধ্যপ্রাচ্য এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত বাংলাদেশি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে লিখেছেন, ‘অনেক বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাস ও কাজ করেন। বর্তমান ইসরাইলি সরকার পুরো অঞ্চলটিকে এক গভীর সংকটে ঠেলে দিচ্ছে দেখে আমি তাদের এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
গাজা গণহত্যার বিচার ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান, ‘আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জোরালোভাবে আহ্বান জানাই, তারা যেন ইসরাইলি সরকারের বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার নিন্দা জানায় এবং চাপ সৃষ্টি করে। একইসাথে আমি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে অনুরোধ জানাই, তারা যেন গাজায় ইসরায়েলি সরকারের স্পষ্ট গণহত্যার বিষয়ে তাদের রায় ঘোষণায় আর দেরি না করে।’





























৬২ হাজার মেট্রিক কয়লা নিয়ে কলাপাড়ার পায়রায় ভিড়লো সাড়ে ১৩ মিটার গভীরতার মাদার ভ্যাসেল।