ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মন্ত্রিসভার বৈঠক /২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ই-রিকশা নিবন্ধন শুরু মঙ্গলবার মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট স্থাপনে বিধিমালা সংশোধন মঙ্গলবার শপথ নেবেন দুই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনে বিশৃঙ্খলাকারীরা সাধারণ শ্রমিক নয়: ডিআইজি আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম, রাত ৮টা থেকেই কার্যকর সজীব ওয়াজেদ জয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ আদালতের মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত অন্তত ৫০ দেশকে ‘গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ বানাতে জাপানের বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদী মিলন আর নেই

সাংবাদিক

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মামলার বাদী ও শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম মিলন (৭২) মারা গেছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

মিলনের জামাতা জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে আবুল কাশেম মিলনকে দ্রুত ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি মহিপাল সার্কিট হাউস এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার পটভূমি

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপাল এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় যমুনা পরিবহণের বাসসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঘটনার প্রায় সাত বছর পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহণের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে ফেনীর তৎকালীন পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

আবুল কাশেম মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফেনী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান।

তিনি বলেন, আবুল কাশেম মিলন দলের জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তার দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। বাদীর মৃত্যু হলেও আইনি প্রক্রিয়া বা মামলা পরিচালনায় কোনো সমস্যা হবে না। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, তিনি নিজের দায়ের করা মামলার বিচার ও রায় দেখে যেতে পারলেন না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
৬২৫ Time View

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদী মিলন আর নেই

আপডেটের সময় : ০৬:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মামলার বাদী ও শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম মিলন (৭২) মারা গেছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

মিলনের জামাতা জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে আবুল কাশেম মিলনকে দ্রুত ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি মহিপাল সার্কিট হাউস এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার পটভূমি

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপাল এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় যমুনা পরিবহণের বাসসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঘটনার প্রায় সাত বছর পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহণের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে ফেনীর তৎকালীন পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

আবুল কাশেম মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফেনী জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান।

তিনি বলেন, আবুল কাশেম মিলন দলের জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তার দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। বাদীর মৃত্যু হলেও আইনি প্রক্রিয়া বা মামলা পরিচালনায় কোনো সমস্যা হবে না। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, তিনি নিজের দায়ের করা মামলার বিচার ও রায় দেখে যেতে পারলেন না।