ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পুরান ঢাকায় আগুন ছড়াল আরেক ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট শূণ্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা ইসির টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার নড়াইলে একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু সুবিদপুর ইউনিয়ন মাদক বিরোধী প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ফারুক খান, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মনির। তিন দিন ধরে মেয়ে নিখোঁজ, বাবা-মায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখিনি: রাষ্ট্রপতি নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাঁচ ধাপের ইউপি নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি সারাদেশে ২ দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা লিটনের সেঞ্চুরি, ৪৭৮ রানের লিডে ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

চট্টগ্রামে সওজের বিল কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

সাংবাদিক

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ না পাওয়া ঠিকাদারকে দিয়ে বিল দাখিল করানোর চেষ্টার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর রহমতগঞ্জে সওজের জেলা কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের একটি দল। দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। এ সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কিংবা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সায়েদ আলম বলেন, নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে টেন্ডারে অন্য ঠিকাদার কাজ পেলেও তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয়েছে, তাদের জোর করে বিল সই করাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হওয়ায় গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে দুদক যোগাযোগ করেছে এবং আরো কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর উপলক্ষ্যে অক্সিজেন থেকে হাটহাজারি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ করা হয়। ঐ কাজের বিপরীতে বিল আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ বিষয়ে সওজের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অন্য একটি কাজের পরিদর্শনে বাইরে ছিলেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
৭৫৬ Time View

চট্টগ্রামে সওজের বিল কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ না পাওয়া ঠিকাদারকে দিয়ে বিল দাখিল করানোর চেষ্টার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর রহমতগঞ্জে সওজের জেলা কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের একটি দল। দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। এ সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কিংবা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সায়েদ আলম বলেন, নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে টেন্ডারে অন্য ঠিকাদার কাজ পেলেও তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয়েছে, তাদের জোর করে বিল সই করাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হওয়ায় গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে দুদক যোগাযোগ করেছে এবং আরো কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর উপলক্ষ্যে অক্সিজেন থেকে হাটহাজারি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ করা হয়। ঐ কাজের বিপরীতে বিল আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ বিষয়ে সওজের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অন্য একটি কাজের পরিদর্শনে বাইরে ছিলেন।